ঘড়ির কথা
ভাবনাকে উসকে দেবে বলে
আগুনের উপর ঘি ঢেলে
আর দাঙ্গা লাগিও না ভায়া
অতীতের অভিজাত বাড়ির
দাদুমার্কা ডাইনোসরাস
দেওয়ালঘড়িই এর জন্যে যথেষ্ট
প্রতিদিন তোমাকে চাবি বা দম
দিতে হবে ওতে
নিয়ম করে
আমার আবার
চাবিগোছা হারিয়ে যায় মাঝে মাঝেই
আর ভাবনারা জলে ডুব দিলে
দমটা ধরে রাখতে পারিনা বেশীক্ষণ
অবলুপ্ত গ্র্যান্ডফাদার ক্লকগুলো
এখন কিন্তু সব অ্যান্টিক আইটেম
অনেক সময় মূল্য ঢেলেও
ওদের পাওয়া যায় না
আগে এমন একটা দাদু'ঘড়ি
হাওড়া স্টেশনে মিটিং পয়েন্ট হয়ে ছিলো
এখন সেটাকে তুলে নিয়ে গেছে
ইটিং পয়েন্টে খাবার স্টলের এক কোণে
পাশেই রয়েছে বাথরুমে বসানো আয়না
আর তারও অনেক আগের
পুরানো রেল কোয়ার্টারের
টানা পাখায় হাওয়া খাওয়াও
উঠে গেছে সেই কবেই
আর পাশাপাশি পাঙ্খাপুলার পদটিও
মহাপ্রস্থানের পথে পাড়ি দিয়েছে
অনেক বছর আগেই
আজকালকার ইলেকট্রিক পাখাগুলো সব
ক্লান্তিহীন হয়ে ঘুরতে থাকে মাথার উপর
ঝুলতে ঝুলতে ফট্ করে থেমেও যায়
একবার তো সিলিং খুলে
দুম্ করে পড়েই গেছিলো আগের অফিসে
কাঁচ পাতা টেবিলের উপর
কখন যে কে দুম দাম হারিয়ে যায়
তা আগেভাগে বলা খুব দুষ্কর
@ রাজেন্দ্র / ২৭ জুলাই, ২০১৭
Comments