বাঙালীর চুমু চর্চা

সুমন সরকার

পড়াশুনা প্রেসিডেন্সী কলেজে স্ট্যাটিস্টিকস নিয়ে । বর্তমানে আইএসআই , কলকাতায় ডক্টরেট করছেন । ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে লেখালিখি শুরু । যেভাবে গীটার বাজিয়ে গান গাইতে ভালো লাগে , সেভাবে লিখতে ভালো লাগে , তাই লেখেন । লিখেছেন রম্যগদ্যের দুটো বই- 'লাকি থারটিন' , 'ফাউ' ।

‘এমন একটা শব্দ বল , যেখানে যেটা খাবো আর যাকে খাবো দুটোই আছে’ –  আমাদের ছোটবেলায় এই ধাঁধাটা বেশ চলত । উত্তর ছিল কিসমিস , মানে মিসকে কিস খাবো । তবে বড় হয়ে বুঝলাম , আসলে ব্যাপারটা উলটো । মানে আমাদের জীবনে বেশিরভাগ কিস আসলে মিস হয়ে গেছে ! 

পুরুষজাতি বেসিক্যালি ভিখিরি পার্টি। তারা চিরকাল চুমুর জন্য ভিক্ষে করে চলেছে । হিন্দি গান আছে – ‘জুম্মা চুম্মা দে দে ।’ আমাদের বাংলা বই ও পিছিয়ে নেই । ‘মায়া মমতা’ছবিতে তাপস পালের লিপে কুমার শানুর গাওয়া গান আছে – ‘মমতা ও মেরি জান একটা চুমা দাও না ।’ পুরুষরা চুমু চেয়েই গেলো ,আর মেয়েরা কাটিয়ে দিলো । সুচিত্রা সেনকে নিয়ে বাঙালিরা হেবি লাফায় ,আহা উহু করে । সুচিত্রা সেনের নাম করতেই দুম করে গম্ভীর হয়ে যেতে হয় । সুচিত্রা সেনকে দেখলেই কেমন যেন বার বার রিনা ব্রাউনের কথা মনে আসে – ‘ ও যেন আমাকে টাচ না করে !’  টাচই যখন নেই , চুমু তো দূরের ব্যাপার । কিছু করার নেই,ভারতবর্ষ একটি আজব দেশ । এদেশে কামসূত্র লেখা হয় ,এদেশে খাজুরাহো আছে তবু ,দর্শনে কোথাও একটুও সেক্স নেই । ২০১৭ সালেও চোখের জল ,নাকের পোঁটা ,মাথার উকুন এসব দিয়ে বাচ্চা হবার গপ্পো কানে আসে । বার বার এই জন্যই বেচারা সেলুকাসের ডাক পড়ে । কে ভাই বলেছিল ,সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ ! তারপর থেকেই বিচিত্র ব্যাপার দেখলেই সেলুকাসকে হাঁক পাড়ে লোকে ।

আমরা চুমু খেতে কোথায় শিখি বলতে পারেন ? খুব সহজ ,সিনেমা দেখে । যদিও আমাদের পশ্চাদদেশ যখন সিনেমা দেখে পাকছিল ,তখন এমরান হাসমি বাজারে আসেন নি । তখন সিনেমায় গালে ,ঘাড়ে ,গলায় ,কপালে ,পেটে এইসব চুমু চলত । তাতেই নায়িকারা যা রিয়াকশন দিতেন ,যেন অরগ্যাজম হয়ে গেলো ! ঠোঁটে চুমু , খুব রেয়ার । হলেও মনে হয় যেন ভিড় বাসে নায়কের ঠোঁটের সঙ্গে নায়িকার ঠোঁটের ধাক্কা লেগে গেছে । একটু বাদেই যেন নায়ক বলে উঠবেন – ‘প্লিজ কিছু মনে করবেন না…’ । প্রথম ঠিকঠাক চুমু ‘টাইটানিক’ছবিতে দেখেছিলাম ,তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি । কলেজে পড়ার সময় প্রথম ‘সিরিয়াল কিসার’এমরান হাসমিকে হিন্দি ছবিতে ঠিকঠাক চুমু খেতে দেখি । বাংলা ছবিতে ঝি ,ঝগড়া ,শাশুড়ি ,ননদ ,নন্দাই , বিধবা ,বিয়ের আগে পেট হয়ে যাওয়া চর্বিউচ্ছল নায়িকা এসব ‘ঠিকঠাক’দেখলেও   ঠিকঠাক চুমু খেতে কাউকে দেখিনি ,খুব সম্ভবত কেউ পারে না ।

সিনেমায় চুমু দেখলে খেতে ইচ্ছে করবেই । কাকে খাবেন ! নিশ্চয় কোনো মেয়েকেই । আমি যেভাবে বড় হয়েছি ,আমাদের সময় স্কুলে  প্রেম-ট্রেম বিশেষ হতো না । হলেও তাঁদের হতো যাদের পোঁদ পেকে লাল হয়ে গেছে ,যারা বখে গেছে । ফলে অন্ধকার গলি খুঁজতে হতো । মাঝে মাঝে একটা লোডশেডিঙ  রাস্তায় খাওয়া জীবনের সেরা চুমুর স্মৃতি রেখে যায় ! সিনেমা হল-টল আর একটু বেশী বয়সে । স্কুল জীবনে যারা প্রেম করতো ,তারা সকলেই বন্ধুমহলে একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হতোই – ‘কিস করেছিস ?’  সাধারণত চুমু কথাটা চলে না । কিস ,হামি ,হাম এইগুলোই চলে । ‘চুমু’কথাটা কেমন যেন !একটি বাংলা বইতে দেখেছিলাম ভিলেন ,হিরোর মায়ের কাছে নালিশ করতে গেছে -‘আপনার ছেলে আমার মেয়েকে সবার সামনে চুমু খেয়ে গেলো ।’  বুঝতেই পারছেন ,’চুমু’কথাটা কেমন কানে লাগছে ।

প্রথম চুমুর স্মৃতি বড় নরম । প্রথম চুমুর স্মৃতির সঙ্গে ক্লোরমিনট ,পেঁয়াজ ,সিগারেট , কিমবা পায়োরিয়া এমন অনেক কিছুর শাখাস্মৃতি জড়িয়ে থাকতে পারে । স্মৃতি ট্রেডারস অ্যাসেম্বলি নয় ,যে ‘আমাদের কোনো শাখা নেই ।’প্রথম চুমু গালেই হয় । এই চুমুটি ক্ষণিকের । ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে ,জিভের ভেতরে জিভ ঢুকিয়ে চুমু একটু সময় সাপেক্ষ ।

একটা সময় বিয়ের আগে চুমুও খাওয়া সম্ভব ছিল না । এখন যুগ বদলেছে ,বিয়ের আগে কতবার বিছানা বদল হয় ,ট্রায়াল হনিমুন হয় । কলেজে পড়ার সময় শুনেছিলাম এসএফআই চাঁদা তুলে কোনো কমরেডের প্রেমিকার অ্যাবরশন করিয়েছে । সবার কপালে অবশ্য বিয়ের আগে শোবার সৌভাগ্য নাচে না । ফলে চুমুই ভরসা । কলকাতা শহরে কিছু পার্ক আছে ,যেখানে লোকে চুমু খেতে যায় । আর আমাদের মফস্বলেও আজকাল কিছু পার্ক হচ্ছে । তবে সেসব পার্কে বুড়োভামগুলি হাঁটে আর পাদে ,চুমু-টুমু আর হয় কই !সিনেমাহলের অন্ধকার বেড়ে জায়গা চুমু খাবার জন্য । কিছু সিনেমাহলে আবার কাঠের বক্স বানানো আছে কাপলদের জন্য । প্রিন্সেপ ঘাটের নৌকা ,বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের অন্ধকার এসব জায়গাতে প্রাণ ভরিয়ে চুমু চলতেই পারে । তবে সাবধান সাবধান !মামা আছে !ভিক্টোরিয়ার বাইরে পুলিশ ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকে ,  গ্রেপ্তার হওয়া চুমু কাপলদের ধরে নিয়ে যাবার জন্য । দুজনের ১২০০ টাকার কেস হয় , পুলিশকে যদিও ২০০ টাকা দিলে ছেড়ে দেয় । আমি আজ থেকে দশ বছর আগেকার রেট বলছি ,এখন নিশ্চয় সব পালটে গেছে । তখন ২০০ টাকা কজন কাপলের কাছে থাকতো বলুন !চুমু আটকাতে ,চুমু খাওয়া কাপলদের ধরতে বঙ্গ পুলিশ ,পৃথিবীতে সেরা । মজার ব্যাপার হল পুলিশ ট্রেনিং-এ কীভাবে চুম্বনরত কাপলদের আটকাতে হয় ,গ্রেপ্তার করতে হয় শেখানো হয় না । যেগুলো শেখানো হয় সেগুলো তো আদৌ  কাজে লাগে না ,অথচ না শেখা জিনিসটাই সবচেয়ে ভালো করেন ওঁরা । যেমন ধরুন ঘুষ খাওয়া ,নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার করা । ভাইটি ,বোনটি ,তেমনি ডিউটি ! এদের যেটা ডিউ থেকে যায় সেটাই ডিউটি । আমার এক বন্ধুকে ভিক্টোরিয়াতে পুলিশ ধরেছিল চুমু খাবার অপরাধে । মেয়েটিকে আলাদা দাঁড় করিয়ে রেখে পুলিশ আমার সেই বন্ধুটিকে বিলা জ্ঞান দেয় । তারপর বলে -‘টাকা পয়সা কিছু আছে ।’বন্ধুটি মানিব্যাগ খুলে একটি সবেধন নীলমণি একশো টাকার নোট দেখায় । পুলিশগুলি মনে মনে ভাবে ,ওঁরা তিনজন ,আর একশো ! বেচারারা লেখাপড়া বিশেষ জানে না ( জানলে কি পুলিশ হয় ) ,ফলে একশোকে তিন দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ নিয়ে সমস্যা দেখা দেয় । অন্য এক পুলিশ বলে -‘আচ্ছা , মেয়েটার কাছে কিছু আছে ?’ব্রেভো !  ব্রেভো !এইরকম পুলিশই বাঙালি নামে একটা জাতিকে চেনায় । মেয়েটার থেকে পঞ্চাশ টাকা ( টোটাল দেড়শো ,পার হেড পঞ্চাশ ) নিয়ে তারপর বন্ধুটিকে ছাড়ে ওই তিন  সাদা পোশাকের পালোয়ান !     

চুমু বড় খারাপ জিনিস ,একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে । এদিকে চুমু খাবার জায়গার বড় অভাব । আমি যখন কলেজে পড়তাম ,একটা ফরমুলা ছিল মেয়ে পটানোর । প্রথমে মেয়েটার বেস্ট ফ্রেন্ড হতে হবে ,সারাক্ষণ মেয়েটার সঙ্গে এঁটুলির মতন লেগে থেকে নিজেকে মেয়েটার অভ্যাসে পরিণত করতে হবে  ,ও মাঝে মাঝে সেন্টু প্রেমের ইমোশানাল ফুসকুড়ি চুলকে দিতে হবে । তবেই কেল্লাফতে !আমিও নিজেকে এক সুন্দরীর অভ্যাসে পরিণত  করার চেষ্টায় ব্রতী ছিলাম তখন । সেই মেয়েটাকে নিয়ে একদিন ঢাকুরিয়া লেকে গেছি । আমি মফঃস্বলের ছেলে,লেকে চুম্মাচাটি হয় জানতুম না । এমনি দুজন মিলে নতুন জায়গায় ঘুরতে গেছি । একটা বেঞ্চে দুজনে বসলাম । কিছুক্ষণ পর ,আমাদের পাশে একটা কাপল এসে বসতে না বসতেই চোখ বন্ধ করে , ছাতা খুলে ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে মুখে ‘উম-আহ-চক-পক’এমন অজানা সব শব্দ করে চুমু খেতে শুরু করে দিলো । আমরা দুজনেই কেমন যেন ক্যালানের মতন পরস্পরের দিকে তাকিয়ে থাকলাম । তবে আমার পরিশ্রম বিফল হয়নি । সেই সুন্দরী আমার প্রেমিকা হয়েছিলেন । কিন্তু,তিনি এতো গোঁসা করতেন ,তাঁর মনের হিব্রু ভাষা আমি কোনকালেই পড়ে উঠতে পারতাম না বলে ,তাঁর সঙ্গে ঝগড়া লেগেই থাকতো । কলকাতার এমন কোনো জায়গা বাকি নেই যেখানে আমরা ঝগড়া করিনি । একবার মেডিকেল কলেজের ভেতরে ম্যাডামের অভিমান হয় ,আর আমি বোকার ( আদ্ধেকটা বল্লাম )মতন দাঁড়িয়ে সব ঠিক করার চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম । মাঝে দুবার হাত ধরে ‘আমি আছি'( তাসের কোন এক খেলায় এরকম বলে শুনেছি )তোর জন্য বোঝাবার চেষ্টা করছিলাম । সেটাই কাল হয় । কোথা থেকে এক সিকিউরিটি গার্ড হাজির হয় । সে বলতে থাকে – ‘আপনারা লাভ ম্যারেজ করবেন ,তো পার্কে যান । এটা হসপিটাল ! এখানে লাভ-ম্যারেজ হয় না ।’তাঁর ধারনা ছিল ‘লাভ-ম্যারেজ’মানে প্রেম করা । নিশ্চয় ইংলিশ এ এমএ । আমি কিছুতেই বোঝাতে পারিনি যে ,আমরা ‘লাভ-ম্যারেজ’নয় ,ঝগড়া করছিলাম । যেটা বলতে গিয়ে একটু বেলাইন হয়ে গেলাম , মানে ওই চুমু খাবার জায়গা বড়ই কম । রবীন্দ্রসদনের কাছে যে দুএকটি পার্ক আছে ওখানে বিকেলের পর গিয়ে দেখবেন ,লোকে লাইন দিয়ে জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে । যেভাবে রেললাইনের ধারে লোকে লাইন দিয়ে হাগতে বসে ,এখানে লোকে লাইন দিয়ে বসে চুমু খাচ্ছে । দুটো কাপলের মধ্যে ব্যবধান বড়ই কম ,গোপন কথা ,ঠুসপাদের হালকা আওয়াজ কানে চলে আসে । যে জায়গাটা অন্ধকার ওখানে ভিড় বেশী । আগে মিউজিক্যাল ফাউনটেনের সামনের প্যাভিলিয়নে বিরাট ভিড় হতো । ওখানে হ্যালোজেন আলো দিয়ে রাষ্ট্র চুমুর জন্য প্রয়োজনীয় অন্ধকার শুষে নিয়েছে । মাঝে মাঝে ভাবি রাষ্ট্র নাকি স্পঞ্জ ! শালা সবই শুষে নেয় । কৃষকের রক্ত ,ছাত্রদের স্বাধীনতা ,মধ্যবিত্তের আটআনার সুখ ,প্রেমের জন্য দরকারি অন্ধকার,সব … । 

তবে শুধু পুলিশ ,রাষ্ট্র নয়, চুমুর শত্রু অনেক । কলকাতার পার্ক-টার্ক গুলোয় ধরুন কেউ একটু নিরিবিলিতে একটা ফাঁকা বেঞ্চ পেয়ে বসেছে ,জমিয়ে চুমু খাবে । কিছুক্ষণ পরেই পাশে এসে একজন বুড়ো লোক বসলো । এই ধরনের পার্কে কিছু লোক ঘুরে বেড়ায় ,এদের সকলকেই অদ্ভুতরকম খারাপ দেখতে । এরা প্রেমের রাস্তায় কালো বিড়াল । মুখটা হনুমান বা গণ্ডারের কোনদিন টিসু পেপার বা জল ব্যবহার না করা পেছনের মতন !এরা দুমদাম পাশে এসে বসে পড়ে । ফলে কাপলরা কিছুই করতে পারেন না । যেখানে একসঙ্গে অনেকে মিলে পর পর বসে চুমু খায় সেখানে ,এইসব লোকেরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শো দেখে । সমাজের নীতিবাগীশরা আরও ডেঞ্জারাস । আমার এক বন্ধুর মুখে একটা ঘটনা শুনেছিলাম । সে একদিন রেসকোর্সের দিকটায় ভিক্টোরিয়ার একটা বেঞ্চে বসে মাথায় ছাতা দিয়ে দিব্যি চুমু খাচ্ছিল । হঠাৎ দেখে ছাতার উপর কেউ চাপ দিচ্ছে ,ছাতাটা জোরে জোরে নাড়াচ্ছে । প্রেমিকার ভেজা ঠোঁট থেকে সে বেচারা ঠোঁট বিচ্ছিন্ন করে চোখ খুলে দেখে সামনে এক মেড়ো মহিলা দাঁড়িয়ে । সেই মেড়ো বুড়ি রাগে গজগজ করছে -‘কেয়া উল্লুপনা কর রহে হো বেটা !’উল্লু মানে পেঁচা । চুমু খাবার সময় আমার বন্ধু বা তাঁর প্রেমিকা কারোর মুখই পেঁচা বা উল্লুর মতন ছিল না । আসলে ছাতার নীচে এতো সুন্দর চুমু দেখে সেই মেড়ো মেনোপজ বুড়ির মুখটাই উল্লুর মতন হয়েছিল ।

সমস্যাটা সভ্যতার । আসলে প্রেম ,চুমু কেউই সহ্য করতে পারে না । কাজেই চুমু নিয়ে চর্চা করতে গেলে ,কেবল চুমু আটকানো নিয়েই চর্চা করতে হয় । ওই যে লেখার শুরুতেই বলেছিলাম ,বেশিরভাগ কিস আসলে মিস হয়ে গেছে । এ সভ্যতায় কেবলই দূষণ বাড়ছে ,প্রেম নেই ,চুম্বন নেই ,ধর্ষণ আছে । প্রকাশ্যে ঘুষ খাওয়া যায় ,চুমু খেলেই কেস !কলকাতা লন্ডন হলেও ,এখানে গঙ্গার ধারে কেউ দাঁড়িয়ে চুমু খেলে পুলিশ ধরবেই । লন্ডন নাকি লন্ড-ভণ্ড !পুলিশ ক্রিমিনাল দেখলে টেবিলের তলায় লুকোবে ,পরের দিন খবরের কাগজে তাঁর কান্নায় ভেজা মুখের ছবি বেরোবে । সে আবার চুমু খাওয়া প্রেমিকের গালে থাপ্পড় মেরে ,’বাঞ্চত’বলে সেই নিরীহ প্রেমিককে খিস্তি করে ন্যাকড়া থেকে নেকড়ে হয়ে যাবে !রিজওয়ানুরের মৃত্যুর পর কবীর সুমন গান বেঁধেছিলেন ( এমন গান এই পৃথিবীতে আর কেই বা বাঁধবেন ! ) –

“আমার দেশে আর আমার শহরে ,

কারা চুমু খাবে পথ অবরোধ করে ” ।

Comments

Popular posts from this blog

মহায়ণ

মরণ vs যৌনতা

আনা কড়া গন্ডা ক্রান্তি