PM Modi কে প্রশ্ন
BIG GAME !! Food for thought ??
Did Mukesh Ambhani already knew about this currency change? He invested billions in Jio and made it free till Dec 30th ? Ironic...And now,the currency exchange will only be allowed till Dec 30th? And from Jan 2017 he will start getting returns in all white money!! a real masterstroke by a visionary businessman or a trick by a fraudster...only time will tell..no wonder the Present RBI governor was a financial advisor to Ambani's Reliance group & an inside man..!! Conspiracy Theories!
WHAT A GAME...Hats off !
****************************
Anil Bokil , one of the key member of Arthakranti Sansthan was given time to share to PM Modi. He was given 9min for sharing but Mr Modi heard him for 2 hrs.
Arthakranti Proposal
What is Arthakranti Proposal and who hasgiven the proposal?
“Arthakranti Proposal” has been given by a Pune (Maharashtra) based “Arthakranti Sansthan” which is an Economic Advisory body constituted by a group of Chartered Accountants and Engineers. This funda has been patented by the Sansthan.
Arthakranti Proposal is an effective and guaranteed solution of Black Money Generation, Price rise and Inflation, Corruption, Fiscal Deficit, Unemployment, Ransom, GDP and industrial growth, terrorism and good governance.
What is in the Proposal ?
“Arthakranti Proposal has FIVE point of actions simultaneously.
(1) Scrap all 56 Taxes including income tax excluding import duty.
(2) Recall and scrap high denomination currencies of 1000, 500 and 100 rupees.
(3) All high value transaction to be made only through banking system like cheque, DD, online and electronic.
(4) Fix limit of cash transaction and no taxing on cash transaction.
(5) For Govt. revenue collection introduce single point tax system through banking system – Banking Transaction Tax (2% to 0.7%) on only Credit Amount
Important Points to note:
(1) As on today total banking transaction is more than 2.7 lakh crores per day say more than 800 lakh crores annually.
(2) Less than 20% transaction is made through banking system as on today and more than 80% transaction made in cash only, which is not traceable.
(3) 78% of Indian population spend less than 20/- rupees daily why they need 1000/- rupee note.
What will happen if All FIFTY SIX Taxes including income tax scrapped :
(1) Salaried people will bring home more money which will increase purchasing power of the family.
(2) All commodities including Petrol, Diesel, FMCG will become cheaper by 35% to 52% .
(3) No question of Tax evasion so no black money generation.
(4) Business sector will get boosted. So self employment.
What will happen if 1000/ 500/ 100 Rupees currency notes recalled and scrapped :
(1) Corruption through cash will stopped 100%.
(2) Black money will be either converted to white or will vanish as billions of 1000/500/100 currency notes hidden in bags without use will become simple pieces of papers.
(3) Unaccounted hidden huge cash is skyrocketing the prices of properties, land, houses, jewellery etc and hard earned money is loosing its value; this trend will stop immediately.
(4) Kidnapping and ransom, “Supari killing” will stop.
(5) Terrorism supported by cash transaction will stop.
(6) Cannot buy high value property in cash showing very less registry prices.
(7) Circulation of “Fake Currency” will stop because fake currency printing for less value notes will not be viable.
What will happen when Banking Transaction Tax (2% to 0.7%) is implemented :
(1) As on today if BTT is implemented govt can fetch 800 x 2% = 16 lakh crore where as current taxing system is generating less than 14 lakh crore revenue.
(2)When 50% of total transaction will be covered by BTT sizing 2000 to 2500 lakh crores, Govt will need to fix BTT as low as 1% to 0.7% and this will boost again banking transaction many fold.
(3) No separate machinery like income tax department will be needed and tax amount will directly deposited in State/Central/District administration account immediately.
(4) As transaction tax amount will be very less, public will prefer it instead paying huge amount against directly/indirectly FIFTY SIX taxes.
(5) There will be no tax evasion and govt will get huge revenue for development and employment generation.
(6) For any special revenue for special projects, govt can slightly raise BTT say from 1% to 1.2% and this 0.2% increase will generate 4,00,000 crores additional fund.
Effect of if implemented today :
(01)Prices of all things will come down.
(02)Salaried people will get more cash in hand.
(03)Purchasing power of Society will increase.
(04)Demand will boost, so will production and industrialisation and ultimately more employment opportunity for youth.
(05) Surplus revenue to the govt for effective health/ education/ infrastructure/ security/ social works.
(06) Cheaper and easy loans from banks, interest rate will come down.
(07) Tendency of society will changes from scarcity to quantity.
(08) Spare money for political system for clean politics,
(09) Prices of land/ property will come down,
(10) No need to export beef to cover up trade deficit
(11) Sufficient fund for research and development.
(12) Society will be free from “Bad elements”.
A very nice n simple compilation with logical impact. W
"ArthaKranti proposal -It will Fully Change India" on YouTube - https://youtu.be/GVfmUmB0bpM
Forward it to all and spread awaren
[truncated by WhatsApp]
RBI এর ইন্টারনাল সার্ভেতে দেখা গেছে আমাদের দেশে এই মুহূর্তে যত পরিমাণ ক্যাশ সার্কুলেট হচ্ছে তার 87% হল ₹500 এবং ₹1000
টাকার নোট ! এত বেশি পরিমাণ হাই-ভ্যালুড নোট মার্কেটে ঘুরে বেড়ানোর অর্থ বেশিরভাগই হিসাব-বহির্ভূত কালো টাকা ; তার উপর নেপাল ও বাংলাদেশ দিয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার জাল নোট ঢুকছে !
--------------এছাড়াও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হল IMF এর বিচারে ভারত এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে প্রগতিশীল অর্থনীতি ; স্বাভাবিক কারণেই চীন ও পাকিস্তানের মাথা ব্যথার কারণ , বিভিন্ন NGO মারফত বিদেশী ফান্ডিং মোদী সরকার আগেই বন্ধ করে দিয়েছে, তাই তারা বিকল্প হাওয়ালা ট্রান্জ্যাকসন এর রাস্তা খুঁজছিল - এই সমস্ত সম্ভাবনা গুলোকে দূর করার জন্য "ব্ল্যাকমানির উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক"টা দরকার ছিল !
--------- এখন সরকার যে নতুন মুদ্রা চালু করেছে সেখানে প্রত্যেকটা ₹2000 টাকার নোটে থাকবে NGC=Nano-GPS-Chip যার দ্বারা ISRO-র স্যাটেলাইট সিস্টেম থেকে নোটটিকে সরাসরি ট্র্যাক করা যাবে ; অর্থাৎ নোটটি কোথায় কখন কিভাবে কার কাছে কত বেশি সংখ্যায় মজুত আছে তা টেকনিক্যালি ধরা পড়ে যাবে - বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে যা এক অভাবনীয় পদক্ষেপ !
# SurgicalStrikeOnBlackMoney
এবার
কিছু প্রশ্ন মোদীজী কে ।
১) আগে থেকে ব্যাঙ্কে বা এটিএমে পর্যাপ্ত ১০০ টাকার বন্দোবস্ত নেই কেন ?????
২) আমি ৩০০ টাকার বাজার করে ২০০০ টাকার নোট দিলে খুচরো সব্জী ব্যবসায়ী আমাকে ১০০×১৭ ফেরত দেবে কিভাবে এবং কতজনকে ??????
৩)যে দিনমজুর গতকাল রাতে সাপ্তাহিক পেমেন্ট পেয়েছেন আজ বাজার করে পরিবারের মুখে অন্ন দেবেন !তাদের জন্য কি সরকার কি পরিকল্পনা করছে ?????
৪)সরকার কালো টাকা দেশব্যাপী ছেয়ে যাওয়া রোধ করতে ব্যর্থ, তার দায়ভার এবং দুর্ভোগ জনসাধারণ ভোগ করবে কেন ???????
৫) যার দৈনিক ৩০০০ টাকা খরচ হয় পরিবারের সংসার খরচ হিসেবে, সে প্রতিদিন ২০০০ টাকা তুলতে পারলে তার বাকি ১০০০ টাকার ঘাটতি কে মেটাবে ???????
৬)যারা সুইস ব্যাঙ্কে কালো টাকা রেখেছে তাদের জন্য কি নিয়ম লাঘু করতে চলছে সরকার ??????
৭)দেশের সব সাধারণ মানুষের কাছে এত কালো টাকা (যেটা উদ্ধরের জন্য এত উদ্যোগ ) কাদের অপদার্থতায় আসলো ??????
তাদের সরকারে থাকার অধিকার কতখানি ??????
৮)এটিএম থেকে সবাই ১০০×২০= ২০০০ টাকা তুললে একটা নির্দিষ্ট এটিএম থেকে মাত্র কতজন টাকা তুলতে সমর্থ হবেন ?????? এত ১০০ টাকার যোগান ব্যাঙ্ক করতে কতটা সমর্থ ???????
৯) আগামী দিনে ব্যাঙ্ক গুলোতে জনসাধারণের নোট বদলানোর ত্রাস আসবে তার জন্য ব্যাঙ্ক কতখানি প্রস্তুত ?????
১০) গ্রামের কোন লোক যার ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড নেই, সে ৩০,০০০ টাকার ছেলে/মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করতে গেলে ৩০০x১০০ টাকা নিয়ে রাস্তা বেরোলে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থায় সরকার কি কি করবে ???????
১১) কাজ ফেলে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে নোট বদলানোর দিন কি সরকারী ছুটি হিসাবে গণ্য হবে ????????
১২) যার আধার কার্ড এখনো হয়নি সে ব্যাঙ্কে টাকা বদলের ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হলে বা সেই কারণে আর্থিক বঞ্চনার স্বীকার হলে সে কি ধরনের সরকারী সাহায্য পাবে ???????
১৩) ভারতের বাজারে খুচরো টাকার পর্যাপ্ত যোগান ও পরিযোজনের ক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অগ্রীম কি যোজনা গ্রহন করেছে ??????
১৪) কাশ্মীর প্রসঙ্গে সরকারের চুড়ান্ত ব্যর্থতা ঢাকতে, জনগনের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরাতে, এইধরনের হঠাত ও হঠকারী সিদ্ধান্তে নিয়ে ভারতবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা দেশের মানুষ ধরে ফেলেছে সহজেই, সেটা কি আপনার বোধগম্য হচ্ছে না ??????
15 . Did Mukesh Ambani already know about this currency change? He invested billions in Jio and made it free till Dec 31th ? Ironic...And now,the currency exchange will only be allowed till Dec 31th? And from Jan 2017 he will start getting returns in all white money!! A real masterstroke by a visionary businessman or a trick by a fraudster...?? Only time will tell..no wonder the Present RBI governor was a financial advisor to Ambani's Reliance group & an inside man...instead of losing his black money Ambani invested it in Jio so that Ambani will atleast get customers..!
16. KOLAR - Today morning MLA and few politicians have give money to people in a meeting 3 lacs per head as a loan. Every1 thought they are doing good work but actual fact is this these notes are invalid, so hav to be exchanged in bank by individuals by producing ID's. See how crook & criminals this politicians are! Converting black to white by using innocent folks 😡🤐
17. ঐ ঘটনা তো আজকের নয় !500 নিয়ে গেলে আগে ও আমি ফিরিয়ে দিতে দেখেছি !অটোয়ালা মাত্র 10 টাকার খুচরা না থাকায় নামিয়ে দিয়েছে !আর কজন গরীব পকেটে 1000 500 র note নিয়ে ঘোরে ?আমার জানা নেই !না ভাঙলে গড়া যায়না এটা সেই রাজমিস্ত্রি ও বুঝবেন !
18. Mayukh Rsnjan Ghosh
সাব-অল্টার্ন, নোট পাল্টান আর বদ অভ্যেস যা কিছু |
আমাদের প্রধানমন্ত্রী ধাপ্পা দিতে হেব্বি ভালোবাসেন। ছেলেবেলার ধাপ্পা খেলা। পেছন থেকে অতর্কিতে এসে কাউকে চমকে দেওয়া আর সে সত্যি মিথ্যে বুঝে ওঠার আগেই সজোর চ্যাঁচানো "ধাপ্পায়ায়ায়ায়ায়ায়া"।
দেশের সাংবাদিককুল ও এডিটর রাতের হ্যান্ডওভার ও প্ল্যানিং এ যখন একগুচ্ছ ক্লিনটন ও ট্রাম্প এর কভারেজ গুঁজছে, তখনই মোদীজির ধাপ্পায়ায়ায়ায়ায়ায়া। চমক। বুকের সাইজ নিয়ে কোন প্রশ্ন হবেনা। এই ধাপ্পার কোল্যাটেরাল ড্যামেজ নিয়ে হবে।
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার ফলে আমাদের সমস্যা হবে। তবে যাদের পেটে সপাটে লাথিটা পরলো তারা আমাদের চারিপাশ ছাইপাশ মানুষগুলো।যারা দিন আনে, দিন খায়ে।
আজ আমার চোখের সামনেই যেরকম দেখলাম। লোয়ার পরেল এর টাইমস নাউ অফিস এর ক্যান্টিন টা বিশাল। ইটি নাউ,জুম, রেডিও মিরচি সহ সবার খাবার জায়গা। মহান প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ঘোষণা শেষ, নিউজ আওয়ার ও খতম, খেতে এসেছি ক্যান্টিন এ। আমার সাথেই খাবার জন্য দাঁড়িয়েছে এক রাজ মিস্ত্রি। ৫০ টাকার মিল খাবে। রাতে সাংবাদিক সহ সবাই চলে গেলে এদের কাজ করতে হয়। এখানেই খাবার খায়ে।
আজ একটা ৫০০ টাকার চকচকে নোট, একটাই নোট নিয়ে খেতে এলো। ভাত, চারটে রুটি, ডাল, আলুর দম, একটা সব্জি, ভাজা, মিল্ক পাউডার এর ক্ষীর। ৫০ টাকা। রাজা প্রজার পুষ্টিকর খাদ্য।
সবে ৫০০ টাকাটা দিয়েছে, আমাদের ক্যান্টিন এর ছেলেটি বলে উঠলো, ক্যা ইয়ার টিভি ভি নেহি দেখতে? ৫০০ টাকা আর বৈধ নয়। এই সব নোট বাতিল। ব্যাংক এ বদলে আনো। ১০০ টাকার নোট দাও, খাবার নাও বা নাম লিখে রাখছি, কাল দিও টাকা। মিস্ত্রির মুখ চুন, এক পেট খিদে। জন ধন প্রকল্পে নাম আছে কিনা জানা নেই। আপাতত ধন বলতে ৫০০ টাকা। খালি পেটে মাথা বেশি গরম হয়। শোনা যায় নাকি এরকমই এক নভেম্বর মাসে পেটে খিদে নিয়ে কিছু মানুষ দুম করে বিপ্লব করে ফেলেছিল।
মিস্ত্রি ভদ্রলোক কাঁপতে কাঁপতে চেঁচিয়ে উঠলো, সারাদিন কাজ করবো না টিভি চালিয়ে বসে থাকবো? তারপর এক ঝটকায় পেছন ঘুরে হন হন করে হাঁটা দিল। ক্যান্টিন এর ছেলেটি কিন্তু শ্রেণিশত্রু নয়। ও ডাকার চেষ্টা করেছিল আর মাইরি বলছি, প্রাথমিক বমকে যাওয়া কাটিয়ে উঠে আমিও বাইরে বেড়িয়ে খুঁজেছিলাম কিন্তু সে কোথাও নেই। এখন নোওয়ান লুক ব্যাক ইন এংগার হয়তো।
এতটা লিখলাম একটাই কারনে। ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার ফলে আমাদের সমস্যা হবে। তবে যাদের পেটে সপাটে লাথিটা পরলো তারা আমাদের চারিপাশ ছাইপাশ মানুষগুলো।যারা দিন আনে, দিন খায়ে।
দয়া করে অতি চালাক হয়ে কেউ নিজের আশে পাশের সব্জি মাসি, মাছওয়ালা, কাজের দিদিকে এই সুযোগ এ ৫০০ টাকা গছিয়ে দিয়ে নিজে দায়মুক্ত হবেন না। বিশ্বাস করুন ওই লাথি টা ক্যাঁৎ করে লাগবে পেটে। এক পেট খিদে, সারাদিনের ঘাম, অপমান, রক্তবমি করে ফেলতে পারে। মোছার লোক থাকবে না।
আসলে আমরা যারা ছেঁড়া, ফাটা নোট প্রথমেই ওদের গছিয়ে দিই, চুরি গেলেই ওদের ঝোলা সার্চ করাই, আবার প্রবল খাটিয়ে মোক্যাম্বোতে খাওয়াতে নিয়ে যাই তারাই এটা করবো।
আমরা যারা আজন্ম মধ্যবিত্ত হয়ে গাড়িয়া থেকে বিবাদি বাগ মিনিতে করে গেলাম, মেট্রোতে বিহারি মুটে উঠতে দেখলে নাক শিঁটকে গেলাম আর বলাবলি করতে থাকলাম তাদের থুতু ফেলার বদ অভ্যাস নিয়ে, আমরা যারা কেউ দেখছে না ভেবে নাকের পোটা বা চিউয়িং গাম হোটেলের দেওয়াল বা রেঁস্তরা টেবিল এ চিপকে দিই, আমরা যারা পূজোর বাজার করতে কোয়েস্ট মল যাই আর ফেরার পথে গড়িয়াহাটার ফুটপাথ থেকে মালতীদির জন্য তিনশো টাকার শাড়ি কিনি।তারাই এটা করবো।
আমরা বাসে উঠেই ঘেমো গন্ধকে ঘৃণা করিনা? বা যে গ্রামের মেয়েটি প্রথম বাসে উঠে টানা বমি করে চলে তাকে উপদেশ দিই না টাক্সি করে যাওয়ার? সাথে আবার জানালার ধারে বসার টোটকা ও তো দিই বিনামূল্যে।
কারন আমরা ধনীদের ভয় পাই। গরীবের পেছন মেরে শান্তিতে ঘুমাই। একটা ডায়েট কোক ৩০ টাকা দিয়ে কিনি, থাকে ২০০এমএল, বাকিটা প্যাকেজিং। আর একটা ডাব ২৫টাকা শুনলেই বাব্বা, এত দাম!!
৫০০ টাকার সাথে সাথে এ সব ও যদি বদলানো যেত।
----- ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ
19.
Decision was not sudden... It merely started with bank account for all. Then linked bank accounts with aadhar... Then brought disclosure of bank account passport and aadhar no. in income tax return... Add to it the various data mining and collection tools in the hands of the income tax department... Then the income disclosure scheme... And this masterstroke... Truly a systematic change in the last 2 years!!!
Timing is also key - 8 pm announcement means no possibility to make last moment transaction at jewellers shop or any impact on share market
Guys, just look at the timing! He's totally screwed the satta bazaar who are betting thousands of crores on the US elections results today. The results will be out by 1 am, whereas the currency notes will be worthless from 12 am tonight...: That's okay, Be at home. Don't worry, Eat wat u have, Travel as u can, Ask for lift if u don't have change
Don't worry
This is a drastic change, It's for good ..We can support this
Don't complain or frustrate ...it's our chance to raise India back to what it was... Sone ki chidiya
It's our chance to support Our leader
Indeed why only army has to support the fight
Let's all come to geather and fight back Let us do for us n our coming generations, Let's do for our country
Let's support our pm
Drastic change does not come slowly.. it hits like a hammer and breaks all that is ... 😎
Congratulations India for a legendary leader.
It can be chaos in the moment, it will be revolutionary transforming for our coming generations.
I dont mind bearing this inconvenience now, for a better future.
20. স্বাধীনতার পর ভীষণ রকম ভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ।নিছক বিরোধিতা না করে জেনে রাখা ভালো পরিসংখ্যান ও গোয়েন্দা সূত্র উভয় পক্ষের মতামত জাল নোটের প্রায় 100 শতাংশই 500 ও 1000 টাকার নোট।সীমান্ত পারের সন্ত্রাসের থেকে এই অর্থনৈতিক সন্ত্রাস এতটুকু পিছিয়ে নেই।বরং বৃহত্তর আঙিনায় ফেললে এই বিপুল কালো টাকা ও জাল নোট চোরাবালির মতো আমাদের অর্থনীতিকে গিলে ফেলছে।ক্রয় ক্ষমতা কমছে।দ্রব্যমূল্য বাড়ছে।বাড়ছে অর্থনৈতিক অসাম্য।বাড়ছে দারিদ্র।আর দারিদ্র্যই একদিকে যেমন উন্নয়নের অন্তরায় অন্যদিকে সমস্ত সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর।জাল ও কালো টাকার শিকড় অনেকটাই গভীর। আগামী 11/11/2016 থেকে দেশের সকল নাগরিক তাদের সাদা ও কালো টাকা নিয়ে সরকারের সামনে আসতে বাধ্য হবেন।ফলস্বরূপ কালো টাকা ধারীরা উপযুক্ত করের রসিদ ও আয়ের উৎস দেখাতে বাধ্য হবেন নতুবা তাদের এতদিনের প্রতারণার সম্পদ নিছক কাগজে পরিণত হবে।টেনশন তো তাদের। হ্যাঁ আমি আপনি কটাদিন একটু ঝামেলা পোহাবো।দেড়মাস আগে হওয়া সার্জিকাল স্ট্রাইক আমাদের যে পরিতৃপ্তি দিয়ে ছিল একই রকম ভাবে সরকারের এই বিরাট পদক্ষেপে একটু কষ্ট সহ্য করে হাসিমুখে সমর্থন করি।গর্ব বোধ করি এই ভেবে যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমিও আমার ছোট্ট অবদান রাখছি।নিজের ঘরের ময়লা তো আমাদেরই পরিষ্কার করতে হবে।শুধু লাইন দিয়ে ভোট দেওয়াতেই নাগরিক কর্তব্য পালন হয় কি? দেশটা আমাদের তাই তাকে সুস্থ রাখার দায়িত্বও আমাদের।দেশের ভেতরের কালো কারবারী দের তো মোটামুটি একটা গতি হল।পরবর্তী সার্জারিটা কি সুইসব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আছড়ে পড়বে?????? অপেক্ষায় রইলাম।
(মতামত একান্তই ব্যক্তিগত এবং স্বাধীনচেতা নাগরিক হিসেবে মত প্রকাশের অধিকার প্রযোজ্য হয়েছে। কারো রাজনৈতিক মতাদর্শ আঘাত প্রাপ্ত হলে দুঃখিত)
21. কেন নোট বাতিল করলে
কালো টাকা জব্দ হবে না
প্রভাত পট্টনায়েক
৮ই নভেম্বর রাত আটটায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করলেন মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যে পাঁচশো ও হাজার টাকার চালু সব নোট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। আচমকা এই পদক্ষেপের যুক্তিতে বলা হলো কালো টাকার মূলে আঘাত করা হচ্ছে। আরেকটি যুক্তি, সন্ত্রাসবাদীদের হাতে থাকা টাকা অচল হয়ে যাবে। অতি উৎসাহী একাংশ এই সিদ্ধান্তকে ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বলে ফেললো।
এই যুক্তির পিছনে আছে কালো টাকা সম্পর্কে ভুল ধারণা। মনে করা হয় যেন কালো টাকা হচ্ছে বালিশের ভেতর অথবা লুকানো বাক্সে রাখা বা মাটির নিচে পুঁতে রাখা টাকার ভাণ্ডার। সিদ্ধান্তের পক্ষে দেওয়া যুক্তি অনুযায়ী, নোট বাতিলের ফলে এই লোকগুলো পুরানো নোট নিয়ে ব্যাঙ্কে যাবে। পাঁচশো ও হাজার টাকার বান্ডিল বান্ডিল নোট জমা করবে। ফলে, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি কর বিভাগের নজরে আনবে। কর বিভাগ এবার এই কালো টাকার মালিকদের ধরে ফেলবে।
এই ধারণায় কালো টাকাকে যেভাবে জমে থাকা ভাণ্ডার হিসেবে কেবল ধরা হচ্ছে, তার কার্যকারিতা সামান্যই। ধরা যাক, কোনো একজনের কাছে ২০কোটি টাকা কালো টাকা আছে। সেই টাকা ধরা রয়েছে পাঁচশো এবং হাজার টাকার নোটে। এই লোকটি কখনই এত টাকা নিয়ে ব্যাঙ্কে যাবে না। তার কর্মচারী বা অন্য লোকজনকে কিছু কিছু করে টাকা দিয়ে ব্যাঙ্কে পাঠাবে। ৩০শে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যাবে। বাস্তবে, এত কসরতেরও দরকার পড়বে না। পুরানো নোট বদলানোর বন্দোবস্ত করতে বিভিন্ন দালাল প্রকৃতির লোকজন নেমে পড়বে।
আসলে কালো টাকা মানে লুকানো টাকার জমে থাকা ভাণ্ডার নয়। বাস্তবে, কালো টাকা বিষয়টি বিভিন্ন অঘোষিত লেনদেনকে বোঝায়। যেমন, চোরাচালান, ড্রাগ ব্যবসা, সন্ত্রাসবাদীদের জন্য অস্ত্রশস্ত্র কেনা। তাছাড়াও, অনুমোদিত সীমার বাইরে লেনদেন অথবা অঘোষিত লেনদেন যা থেকে আয় করা টাকায় করফাঁকি দেওয়া হয়। ১০০টন খনিজ তুলে তাকে ৮০টন বলে জানানো হলো সরকারে কাছে। তার ফলে কম টাকা কর দিতে হলো। এভাবেও কালো টাকা জমতে পারে। আবার, ১০০ডলার মূল্যে রপ্তানি করে তাকে ৮০ডলার বলে দেখানো হলো। বাকি ২০ডলার সুইস ব্যাঙ্কে রাখা হলো। কালো টাকার একটি উপায় এমনও হতে পারে। এই কালো টাকা কোনো জমিয়ে রাখা থাক থাক নোটের বান্ডিল নয়। টাকা ঘুরে বেড়ায়, কালো টাকাও।
এই বিপুল কালো টাকার বড় অংশ বিদেশি ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে। অনেকের মতে, দেশের ভেতর যতো না কালো টাকা ঘুরে বেড়াচ্ছে তার চেয়ে বেশি ঘুরছে বিদেশে। নরেন্দ্র মোদী নিজেই নির্বাচনী প্রচারে এই বিদেশে থাকা কালো টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দেশের ভেতর থাকা পাঁচশো ও হাজার টাকার নোট বাতিল হলে বিদেশে তার প্রভাব পড়বে না। সেক্ষেত্রে, দেশের সাধারণ মানুষের ভোগান্তিই সার হবে।
একাংশ আবার সিদ্ধান্তের সপক্ষে অন্য যুক্তি দিচ্ছেন। বলা হচ্ছে, পাঁচশো ও হাজার টাকার নোট তুলে নিয়ে এখনই হয়তো কালো টাকা জব্দ করা যাবে না। কিন্তু, নগদের ব্যবহার কমিয়ে ‘ক্যাশলেস’ অর্থনীতির দিকে এগনোর রাস্তা হবে। আমাদের দেশের বাস্তবতার বিচারে বড়লোকদের এসব ভাসানো কথার কোনো দাম নেই। সাধারণ মানুষকে ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে এমনকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে আজও কত সমস্যার মুখে পড়তে হয় এদের সেসব ধারণাই নেই।
নোট বাতিল এই প্রথম নয়। ১৯৪৬-র জানুয়ারিতে একহাজার এবং দশহাজার টাকার নোট বাতিল হয়েছিল। আবার, ১৯৭৮-এ মোরারজী দেশাই সরকারের সময় একহাজার, পাঁচহাজার এবং দশহাজার টাকার নোট বাতিল করেছিল। সেই সব সময়ে একহাজার টাকার নোটও সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। ব্যবহারও করতেন না। ফলে, নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষকে নাকাল হতে হয়নি। যদিও, এমন সিদ্ধান্তে কালো টাকা তখনও খতম হয়নি।
কিন্তু, মোদী সরকার যা করেছে স্বাধীন ভারতে তা নজিরবিহীন। এমনকি, বিদেশি সরকারও এর চেয়ে বেশি সংবেদনশীল ছিল। তারা অন্তত সেই নোটগুলিই বাজার থেকে তুলে নিয়েছিল যা অতি ধনীরা রাখতো। মোদীর এই ‘জরুরি পদক্ষেপ’-র সঙ্গে একই সময়ে নেওয়া আরো বেশ কয়েকটি পদক্ষেপের মিল রয়েছে যা অঘোষিত ‘জরুরি অবস্থা’ জারির শামিল। এই সব পদক্ষেপই জনবিরোধী
22. ইন্ডিয়া সরকার সব ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট বাতিল করে দিচ্ছে!!
রাশিয়ায় বিপ্লবের পর রাতারাতি সমস্ত রুবল বাতিল হয়ে গিয়েছিল। নেতাজীও এইরকমই কথা বলেছিলেন সম্ভবত স্বাধীনতার পর সমস্ত টাকা বাতিল করে দেওয়ার জন্য।
কালো টাকা কিছু জমা পড়বে ব্যাংকে। ট্যাক্সেবল ইনকাম বেড়ে যাবে কিছু লোকের। ইনকাম ট্যাক্স প্রদানের পরিমান বেড়ে যাবে। সরকারের আয় বৃদ্ধি হবে।
সরকার যদি প্রমান করতে পারে আপনার জমা দেওয়া টাকা আয় বহির্ভুত, তাহলে সেই পরিমান টাকা কালো। তার উপর ট্যাক্সের হার ৩০%।
দ্বিতীয়ত, ভারতের অর্থনীতিকে ভেঙে দেওয়ার জন্য প্রচুর জাল টাকা ঢুকিয়েছে পাকিস্তান ও চীন সরকার। এই টাকা গুলো অচল কাগজে পরিণত হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রচুর জার্মান মার্ক এই ভাবে ঢুকিয়েছিল জার্মানিতে ব্রিট্রিশ সরকার।
এই প্রসঙ্গে মনে পড়ছে, মায়াবতীর রাজনৈতিক গুরু সুখরামের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৬০ কোটি টাকা।
গরীব, মধ্যবিত্ত মানুষের কিছু ক্ষতি হবে না এই পদক্ষেপে। বিপদে পড়বে তারা যারা অসদুপায়ে টাকা রোজগার করেছে এবং ইনকাম ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার জন্য সিন্দুক বোঝাই করে কাঁচা টাকা রেখেছেন।
সরকারের এই প্রয়াসকে আমি পজিটিভ পদক্ষেপ বলে মনে করছি। একই সাথে এই কথাটিও সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই সবথেকে বেশী কালো টাকা আছে সুইস ব্যাংকে, রাজনৈতিক দলগুলির হাতে, এমন কি বিজেপির হাতেও, সেগুলি উদ্ধারের চেষ্টা করা উচিত সরকারের।
প্রস্তুতি জুলাই মাস থেকে চলছিল। জুলাই মাসেই ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট IDS বা Income Decleration Scheme শুরু করে, যার মাধ্যমে অসাধু কারবারি দের সু্যোগ দেওয়া হয়েছিল কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করে নেবার। এই সু্যোগ ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছিল। ১ লা অক্টোবর থেকে ইনকাম ট্যাক্স লাগাতার অভিযান চালায় এই অসাধু ব্যবসায়ী দের বিরুদ্ধে। উদ্ধার হয় প্রচুর বেনামী অর্থ। তারপর রাতারাতি সব নোট বাতিল ঘোষণা করা হয় যাতে অসাধু ব্যবসায়ী রা কোন সু্যোগ না পায় কালো টাকা সরিয়ে ফেলার। এবার এদের হাতে দুটো রাস্তা রইল..... হয় টাকাগুলো সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার অথবা কাগজের মত নষ্ট করে ফেলার। সরকারের হাতে জমা দিতে গেলে এত টাকা মজুত রাখার জবাবদিহি করতে হবে ইনকাম ট্যাক্স কে। ৩০ শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে যারা IDS এ টাকা জমা দিয়েছেন ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট তাদের আগামী দুবছর সমস্ত সার্চ বা সার্ভে থেকে ছাড় দিয়েছেন।এবং তাদের কালো টাকার ডিক্লেয়ারেশন এর পরিমান গোপন রেখেছেন। ও এই টাকার উৎস পর্যন্ত তাদের জানাতে হয়নি সরকার কে। অর্থাৎ সরকার সমস্ত রকমের সু্যোগ দিয়েছেন তাদের সংশোধন করার। আমি এটুকু বলব, যে রাতারাতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহন এই কর্মসূচির ই একটি অংশ। এটা একটা যুদ্ধ। আমাদের যেটুকু অসুবিধা হচ্ছে দেশের স্বার্থে সেটুকু মেনে নিতে হবে।
উইকিলিকস প্রকাশ করল সুইস ব্যাংকে কালো টাকার ভারতীয় মালিকদের প্রথম লিস্ট, নিম্নলিখিত ২০ জনের, টাকার পরিমাপ কোটিতে!!!!!
1- Ashok Gehlot (220000)
2- Rahul Gandhi (158000)
3- Harshad Mehta (135800)
4- Sharad Pawar (82000)
5- Ashok Chavan (76888)
6- Harish Rawat (75000)
7- Sonia Gandhi (56800)
8- Muthuvel Karunanidhi (35000)
9- Digvijay Singh (28900)
10- Kapil Sibal (28000)
11- Rajeev Gandhi (19800)
12- Palaniappan Chidambaram (15040)
13- Jayaram Jaylalitha (15000)
14- Kalanithi Maran (15000)
15- HD Kumarswamy (14500)
16- Ahmed Patel (9000)
17- J M Scindia (9000)
18- Ketan Parekh (8200)
19- Andimuthu Raja (7800)
20- Suresh Kalmadi (5900)
এবেলা
-----------
কালো টাকার হদিশ পেতে অত্যন্ত কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। যাঁরা ভাবছেন আগামী পঞ্চাশ দিনে সমস্ত কালো টাকা ব্যাঙ্কে ফেলে সাদা করবেন তাঁদের সর্বনাশ।
করফাঁকি দেওয়ার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ।
কেন্দ্রীয় সরকারের ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত যে কতটা সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে তা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। গতকাল সারা দেশে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বন্ধ থাকার পরে আজ অর্থাৎ ১০ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত টানা চারদিন পরিষেবা পাবেন গ্রাহকরা। এই চারদিনে অনেকেই হাতে থাকা পুরনো ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোট বদলাতে আসবেন। আবার কেউ এই পুরনো নোটগুলিতে যত পরিমাণ উদ্বৃত্ত টাকা আছে তা ব্যাঙ্কে গচ্ছিত রাখতে আসবেন।
আর সেখানেই পাতা রয়েছে সরকারের ফাঁদ। সরকারী ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৫০ দিনের মধ্যে যাঁর কাছে যা যা ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোট রয়েছে তা হয় বদল করে নিতে হবে নয়তো ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে দিতে হবে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে এই ৫০ দিনে যত খুশি অ্যামাউন্ট ৫০০ টাকার ও ১০০০ টাকার নোটে জমা দিলে সরকার চুপচাপ বসে থাকবে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, টাকা জমা দেওয়ার কোনও ঊর্ধ্বসীমা নেই, কিন্তু সেখানেই রয়েছে আসল খেলা।
বুধবার রাতে অর্থ মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, যদি এই ৫০ দিনের মধ্যে কোনও ব্যক্তি আড়াই লক্ষের বেশি টাকা ব্যাঙ্কে জমা করে থাকেন, তবে আয়কর দফতর তার আইটি রিটার্ন খতিয়ে দেখবে। যদি সেখানে এই পরিমাণ টাকা আয়ের কোনও সঠিক প্রমাণপত্র পাওয়া না যায়, তবে পেনাল্টি ধার্য করা হবে। কারণ সেক্ষেত্রে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠবে। রেভিনিউ সেক্রেটারি হাসমুখ আধিয়া বুধবার রাতে জানিয়েছেন, এমন কোনও কেস ধরা পড়লে সেটি ইনকাম ট্যাক্স আইনের সেকশন ২৭০(এ)-র আওতায় পড়বে। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে তাঁর জমা দেওয়া অর্থের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ট্যাক্স তো দিতেই হবে। তার উপরে ২০০ শতাংশ পেনাল্টি ধার্য হবে।
যদি কেউ পুরনো নোট দিয়ে গয়না কিনে পিঠ বাঁচাতে চান, তাহলেও শেষরক্ষা হবে না। হাসমুখ আধিয়া বলেন, সমস্ত জুয়েলারদের জানানো হচ্ছে যে যদি কেউ পুরনো ৫০০ টাকা এবং ১০০০ টাকার নোটে গয়না কেনেন, তবে জুয়েলারকে তাঁর প্যান নম্বর জানাতে হবে। জুয়েলার যখন পুরনো ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকার নোটে ক্যাশ ডিপোজিট করতে যাবেন, তখন তাঁর প্রত্যেকটি কেনা-বেচা স্ক্রুটিনি করা হবে। সেখানে যদি নির্দিষ্ট নোটগুলির ক্ষেত্রে কাস্টমারের প্যান নম্বরের উল্লেখ না থাকে তবে জুয়েলারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অর্থাৎ যাঁরা ভাবছেন কালো টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে ইনকাম ট্যাক্সের পেনাল্টি থেকে বাঁচতে গয়না কিনে পার পেয়ে যাবেন, তাঁদের সেই রাস্তাও বন্ধ।
Source :: এবেলা
*****************************
নোট ডাউন -
সমিত সাহা
এতো দেখি চারদিকে হুলুস্থুলুস কান্ড পরে গেছে একেবারে। রাতারাতি সবাই গরীব আবার রাতারাতি সবাই বড়লোক হয়ে গেছে কিন্তু বাজারে টাকা নেই। আমার একবন্ধু জানালো এক নাপিত সব্জি বাজার করতে গেছে পকেটে ছুরি কাঁচি চিরুনি নিয়ে। সব্জির দোকানীর চুল ক্যাঁচম্যাঁচ করে কেটেই বলে – “আড়াইশো কুমড়ো আর হাপ কিলো পটল দে।”
এক স্টাইলিশ মহিলা বাসে উঠে বলছে
– “এই কন্ডাক্টর ভাই, আমার কাছে একদম চেঞ্জ নেই। আমার কাছে তিনটে নতুন সিনেমা আছে ব্লু টুথ দিয়ে ট্রান্সফার করে দিচ্ছি, আমায় যাদবপুরে নামিয়ে দিও। কন্ডাক্টর হেসে বলছে – “বলচিলাম, লাগবে না, জিও সিম আচে নামিয়ে নেব। বরং হোয়াটশ্যাপ নাম্বার দিচ্ছি, একটা সেলফি দিয়ে যান।” ওদিকে ড্রাইভারের সিটের পেছনে বসে এক মধ্যবয়স্ক ড্রাইভারের ঘাড় মাথা ম্যাসাজ করে যাচ্ছে, যাতে ভাড়া না দিতে হয়।
গোস্বামী বাবু রিক্সাওয়ালা কে বলছে তুই সিটে বোস আমি ‘আপ’টা টেনে দিচ্ছি। সেনগুপ্ত কাকিমা পার্লারে গিয়ে বলছে, এই নাও শারদীয়া হ্যাংলা আর অখন্ড সুকুমার সমগ্র আর আমায় একটা গোল্ড প্যাক ফেসিয়াল করে দাও। সেখানে আবার দড়াদড়ি চলছে। বলছে এতে গোল্ড প্যাক হবে না খুব জোর চুলটা শ্যাম্পু করে দিতে পারি।
ওদিকে কোমরের হাড্ডিতে ঝুলে থাকা ডার্টিলুক জিন্স পরা একটা ইয়ং ছেলে ম্যানেজারকে বললে – “১৬জিবি মাইক্রোচিপ মাত্র তিন মাসের পুরনো, মানে একদম নতুন মাল আছে, এটা দিয়ে ধোনি স্টাইলে স্পাইক কাট করা যাবে?” কিন্তু চিঁড়ে ভিজলো বুঝে নিজেই অফার দিলো – “ঠিক আছে। লেনোভো ল্যাপটপের নতুন কর্ডলেস মাউস দিচ্ছি সঙ্গে।” এই বার ম্যানেজারের মুখ হাসি ফুটলো।
কম্পিউটার সার্ভিসিং সেন্টারের ছেলেটা এসে আমায় বলে – “দাদা খুব টানাটানিতে পড়েছি, দিন না আপনার মেশিনটা ফরম্যাট করে দি, আপনি পেটিএম দিয়ে আমার ইলেকট্রিক বিলটা মিটিয়ে দিন। মাইরি নইলে লাইন কেটে দেবে।”
বললুম – “কি আর করবি ভাই আমার বাড়ি থেকে হুক করে নিও। আমার কম্পিউটার নেই।”
- ও তাহলে কি টিভিটা সারিয়ে দেবো?
- ভাই তুমি কি সব কিছুই পারো?
- না মানে, ফার্স্ট ভিজিটটায় তো আর সারানো যাবে না। পয়েন্ট গুলো নোট করে নেব। তারপর মালগুলো চাঁদনী থেকে আনাতে হবে। তদ্দিনে ব্যাঙ্ক খুলে যাবে।”
মতলব ভাল ঠেকে নি আমার। তাড়িয়ে দিয়েছি। ছুটির দিন তাই বারান্দায় বসে বসে এখন ভাবছি, এখন যদি একশো টাকার নোট জাল করার মেশিনের দাম কি বেড়ে যাবে? আচ্ছা আমাদের টাকা ছাপানোর মেশিনটা কি চাইনিজ? আচ্ছা নতুন টাকায় নাকি মাইক্রোচিপ থাকবে। সেইটা আবার স্যাটেলাইট দিয়ে ‘গরমেন্ট’ নজরে রাখবে কোথায় কোথায় নোটগুলো যাচ্ছে। আমরা তো কোথাও যাবার সময় অস্থানে কুস্থানেও টাকা লুকিয়ে রাখি পকেটমারের জ্বালায়। যদি বাইচান্স ওতে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো থাকে! ভাবতেই কেমন যেন ঘাম দিয়ে উঠলো।
ভয়ের চোটে প্রসঙ্গ পাল্টাতে মোবাইলে ফেসবুকের পাতা ওলটাতে গিয়েও দেখি সর্বত্র একই চর্চা। জোর তর্ক লেগে গেছে। বলছে টাকার মধ্যে চিপ লাগানো সম্ভব না, ইট ইজ নট সো চিপ। সে ক্ষেত্রে তারমধ্যে ব্যাটারি থাকতে হবে। আরেকজন ফাজিল ফক্কর ফোড়ন কেটে বললে – “তাহলে তার ব্যাক আপ পাওয়ারও লাগবে। তাহলে একটা পাওয়ার ব্যাঙ্কও লাগানো উচিৎ। নইলে ধরুন আপনি ২০০০টাকা নিয়ে বাজারে গেলেন আর ব্যাটারি ডাউন হয়ে সেটা ৫০০টাকায় পরিণত হলো। আর আপনিও ৫০০টাকার নোট লিগ্যালি ইউজ করতে পারবেন না”। ব্যাস তুলকালাম কান্ড শুরু হয়ে গেলো। গুচ্ছের ব্লক, ব্যান ইত্যাদি হয়ে গেলো সেই ফেসবুক গ্রুপে। আবার শেষের দিকে কিছু পোষ্টে দেখলাম কেউ কেউ ব্যঙ্গ বলছে – “ওই টাকার মধ্যে জেনারেটর, ডায়নামো, আই সি ইঞ্জিন, মেমরি কার্ড, বাইমেট্রিক পাসওয়ার্ড আর সি এফ এল ল্যাম্পও নাকি থাকা সম্ভব। চায়নাতে এমন অলরেডি শুরু চালু হয়ে গেছে।”
ওদিকে তারপরেই গিন্নীর হুংকার – “টিভি দেখতে দেখতে মরে গেলে নাকি, যাও ওঠো। ফ্ল্যাটের সিঁড়িটা ঝাড় দিয়ে এসো, তারপর ছাদে উঠে জলট্যাঙ্কি সাফ করে নিও। আমাদের সুইপার বলেছে একটা আইফোন-সিক্স দিলে তবেই সেপ্টিক সাফ করে দেবে।”
আমি দেখলাম ঘরে থাকা বিপদ। তাই বেড়িয়ে পড়লাম রাস্তায় ঘুরতে আর ভাবছি, কিছুদিন ডেন্টিস্টের কাছে হেল্পারি কাজ শিখেছিলাম আর সামনের মাসে শালীর বিয়েতে কিছু একটা দিতেই হবে। হসপিটালের পেছন থেকে একটা খুলি কুড়িয়ে এনে স্কেলিং করাটা একটু প্র্যাকটিস করে নি। নইলে বুঝি আর রক্ষে নেই
*******************
একটা সিগারেটের দোকানেও ধারে মাল দিচ্ছেনা রে এই ডামাডোলের বাজারে...আর কালোবাজারী? পোস্তা, বড়বাজার সব জায়গাতে পাঁচশোয় চারশো দিচ্ছে...হাওয়ালা, হুন্ডিতে বিরাট বিরাট transaction শুরু হয়ে প্রায় শেষের দিকে রে...জানিসই তো, এইসব বিষয়ের খবর আগে আমাদের কাছে আসে...সেখান থেকেই জানলাম...
Comments