কিছু তর্ক
[11/11 12:58 am] +91 86978 12810: কি দিন আসলো...!!??☺☺☺❤
১. জেল খুলে রাখলেও সন্ত্রাসীরা পালাতে চাইছেনা✗✗
2. দরজা আলমারি খুলে রাত্রে ঘুমিয়ে পড়লেও চোর চুরি করতে চাইছেনা☺☺
৩. গরিবরা প্রথমবার হাসছে আর বড়লোকরা টাকা পুড়াচ্ছে।
৪. ঘুষখোর রা প্রথম বার সৎ হচ্ছে ☺
৫. চাকরির জন্যে যে ভাই টাকা দিতে পারেনি সে প্রথমবার শান্তি তে ঘুমিয়েছে☺
৬. যারা চাকরির নামে টাকা নিয়েছিল বা দিয়েছে তারা বড়লোক হলেও দামী হাসপাতালে হৃদাক্রান্ত হয়ে খুচরোর অভাবে...☺☺
৭. রাজা ও টুনটুনির গল্পটা খুব মনে পড়ছে ☺
৮. এতোদিন শুধু গরিবের পেটে আগুন জ্বলতে দেখেছি কিন্তু আজ বড়লোকের টাকায় আগুন জ্বলতে দেখছি☺
৯. সারদা, নারদা, টেট, বকেয়া D.A, বেকারত্ব, মূল্য বৃদ্ধি, সিণ্ডিকেট ইত্যাদি সহ্য করে বেঁচে আছি আর এই 1000/500 নোট বন্ধ হলে কয়েক দিন ঠিক সহ্য করে নেওয়া যাবে.. তবে কষ্ট হলেও হেব্বি মজা হচ্ছে মাইরী☺☺☺
১০.. সুনলাম বহু ৫০০ ১০০০ এর নোট জ্বালানো হয়েছে!! বহু বিজেপি নেতা ধরা পড়েছে!!
আর যাদের কালো টাকা আছে তারা নাকি কান্না করতে থাকুন!!!
আর যারা নকল টাকার ব্যাবসা করতেন তারা বার্নল ব্যবহার করুন!!
আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে..
আজ প্রথমবার গরিব হবার আনন্দ যাদের যাদের হচ্ছে শেয়ার করুন।।☺
বার বার এই সুযোগ আসেনা
[11/11 7:06 am] +91 94331 15595: একটা গল্পকথা।
বড়সড় একটা অর্থনৈতিক সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে ভারত। সেটা আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বা অভ্যন্তরীণ সমস্যা। যা কিনা আর গোরুর মাংস, দেশপ্রেম, সীমান্তসমস্যা, সেনামৃত্যু, মাঙ্কিবাত দিয়ে সামলানো যাচ্ছে না। অর্থনৈতিক যে বুদবুদ তৈরী হয়েছে ১৯৯১ এর পর, তা প্রায় ফাটার মুখে।
যেহেতু ভারতের বাজার ম্যানুফেকচারিং শিল্পের ওপর নির্ভর করে না, করে প্রসেসিং আর সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির ওপর তাই বাজার বা মুদ্রাস্ফীতির রাশ ভারত নিজের হাতে রাখতে পারে না।
তার মধ্যে দেশের সরকার বেসরকারিকরণ আর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানকে বিক্রি করাকে যখন শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে, তখন দেশের অর্থনৈতিক আকালের সময়ে বাজারে টাকা পাম্প করার ক্ষমতা দেশের সরকারের থাকে না।
যে সরকার এল আই সি, পেনশন, ব্যাঙ্ক সবার টাকাতেই ফাটকা খেলছে, শেয়ার বাজারে লাগিয়ে লাভ তুলতে চাইছে, তার খোলা মনে ভিক্ষে করা ছাড়া গতি থাকে না, সঙ্কটের সময়। আর সৎ সাহস থাকে না স্বীকার করার বা সত্যি কথা বলার।
তার কাছে উপায় একটাই পড়ে থাকে, খোলা বাজারে যত টাকা রয়েছে, মানে মানুষের হাতে যা ক্যাশ পড়ে তা নিজের ঘরে তোলা, তুলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবাকে সচল রাখার মরিয়া চেষ্টা করা।
কালোটাকা মানে কালো রঙের টাকা নয়। আর কালো টাকা কেউ ঘরে ক্যাশ করে রাখে না। রাখে বেনামে সম্পত্তি করে বা প্রোডাক্ট কিনে। সুতরাং কালো টাকার মালিকরা ১১ তারিখ সকাল থেকে লাইন দিয়ে টাকা জমা করবে না। করবে সরকারী চাকুরে, ছোট ব্যবসায়ী, বেসরকারি কর্মচারীরা, যারা প্লাস্টিক মানি ব্যবহার করে না।
মাস তিনেক যদি এই টাকা ব্যাঙ্কে খাটিয়ে নেওয়া যায়, তাহলেই পোয়া বারো। ১২৫ কোটির দেশে ৭০ কোটি অ্যাকাউন্ট থাকলে, ৪৫ কোটি লোক ৪০০০ টাকা করে ব্যাঙ্কে জমা করার হিড়িক তুললে, টানা ৩০ দিন, সেই অনুপাতে ১৮০০০০ কোটি টাকা রোজের হিসেবে ৫৪০০০০০ কোটি টাকা জমা পড়ে। তর্কের খাতিরে এর ৭৫% টাকাই যদি জমা পড়ে আর তার ৭৫% টাকা লোকে সময়ের অভাবে সাথে সাথে না তুলে ৩০ দিন ব্যাঙ্কে রেখে দেয়। তাহলে মুদী অর্থনীতি সামলানোর বিরাট সুযোগ পেয়ে যায়।
ব্যাঙ্ক এমনিতেই নেগেটিভ ইন্টারেস্ট দেয়। ৫% মুদ্রাস্ফীতির বদলে সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৪% সুদ দেয়। ১% সরকার এমনিতেই মেরে দেয়। এবার আরোও দেবে।
যাই হোক। গল্প হলেই ভালো।
sangrihito
[11/11 7:11 am] +91 97483 30712: প্রসঙ্গত বলে রাখি যে reseave bank এর notification আমি online দেখেছি । তাতে স্পষ্ট করা আছে per person per week transaction এর কথা including all the method i.e. Online and offline. নির্দিষ্ট সীমার বাইরে হলেই সঠিক সময়ে সরকার ঐ account লক্ষ্য করবে আর ব্যবস্থা নেবে।
[11/11 7:17 am] +91 94331 15595: অ্যাকাউন্টে টাকা জমা
নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ১০ই নভেম্বর- ৮ই নভেম্বর রাত আটটা।
টেলিভিশনে প্রথম দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে আলোড়ন। ‘দুর্নীতি, কালো টাকার বিরুদ্ধে লড়াই’ দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী। স্বভাবসিদ্ধ মেজাজে এমনকি বললেন, ‘জাতীয়তা-বিরোধী, সমাজবিরোধীদের হাতে থাকা ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকার নোট ছেঁড়া কাগজে পরিণত হয়ে যাচ্ছে’।
৮ই নভেম্বর দুপুর। মধ্য কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের শাখায় একটি অ্যাকাউন্টেই জমা পড়লো ৬০ লক্ষ টাকা। মোট ১০০টি প্যাকেটে সাজানো সেই টাকা। সবকটি হাজার টাকার নোট।
৮ই নভেম্বরেই তার মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের ঐ নির্দিষ্ট শাখাতে ঐ নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টেই ফের জমা পড়লো ৪০ লক্ষ টাকা। এবার শুধু হাজার টাকার নোট নয়, সঙ্গে রয়েছে পাঁচশো টাকার নোটও। যা কিনা আর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাতিল হয়ে যায়।
‘কাকপক্ষীও’ টের না পাওয়া মোদী সরকারের সেই রাত আটটার ‘ঘোষণা’-র আগেই বেমালুম ১কোটি টাকা (৫০০ ও ১০০০ হাজার নোটে) জমা পড়ে গেলো একটি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের একটি নির্দিষ্ট সেভিংস অ্যাকাউন্টেই!
স্বাভাবিকভাবেই এবারে প্রশ্ন, কার অ্যাকাউন্টে এই পরিমাণ টাকা মুহূর্তেই জমা পড়ে গেলো?
ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ শাখা। শাখার কোড নম্বর-00C004। আই এফ এস কোড- ID IB 000C004। এম আই সি আর কোড- 700019008। এই শাখাতেই সেভিংস অ্যাকাউন্ট। অ্যাকাউন্ট নম্বর- 554510034। ‘ভারতীয় জনতা পার্টি-ওয়েস্টবেঙ্গল’ নামে সেই অ্যাকাউন্ট।
ঘটনাটি ‘কাকতালীয়’ হতে পারে কিন্তু যে সিদ্ধান্তে গোটা দেশ তোলপাড় গত ৪৮ ঘন্টা ধরে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একই রকমভাবে হয়রানির শিকার সাধারণ মানুষজন, এমনকি যে সিদ্ধান্তের জেরে তৈরি হওয়া হয়রানিকে দেশপ্রেমের তুলাদণ্ডে মাপা হচ্ছে, সেই সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘন্টা আগেই প্রধানমন্ত্রীর দলের পশ্চিমবঙ্গ শাখা দু’দফায় এক কোটি টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিলো। আরও আশ্চর্যজনক হলো জমা পড়া সেই টাকার সবই হাজার ও পাঁচশো টাকার নোট। বি জে পি’র কেন্দ্রীয় অ্যাকাউন্টের প্যান কার্ড নম্বর ব্যবহার করেই এই টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।
গোটা দেশে বি জে পি’র প্রভাবের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহের কাছে শক্তিশালী শাখা নয়। সেই শাখার তরফেই ৮ই নভেম্বরই যেভাবে বিপুল পরিমাণ টাকা ( ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট) তড়িঘড়ি জমা দেওয়া হলো ব্যাঙ্কে, সেই একইরকম ভাবে কি তাহলে অন্য রাজ্যগুলিতেও, তুলনামূলক শক্তিশালী সংগঠনের রাজ্যগুলিতে বি জে পি’র তরফে বিপুল পরিমাণ টাকা সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে দেওয়া হয়েছে? কীসের জন্য? কোন শঙ্কায়? তাহলে কি ৫০০ ও হাজার টাকা নোট মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ‘বাতিল ছেঁড়া কাগজে’ পরিণত হতে চলেছে সেই খবর অনেক আগেই পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল দিল্লির শাসক দলের নির্দিষ্ট স্তরে?
শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে এদিনই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রতিক্রিয়ায়। রীতিমত সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁর অভিযোগ, এমন তথ্য প্রমাণ আছে যা স্পষ্ট করছে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত বি জে পি’র বন্ধুরা ও ঘনিষ্ঠ মহল আগে থেকেই জানতো, সিদ্ধান্ত ঘোষণার প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই এটি হতে চলেছে তাঁরা জানতেন।
আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে কী আগে থেকে জেনে যাওয়াতেই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত ঘোষণার কয়েক ঘন্টা আগেই এভাবেই বাতিল হতে চলা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট ব্যাঙ্কে জমা দিয়ে ‘সাদা’ টাকায় পরিণত করতে চাইলো নরেন্দ্র মোদীর দল? পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া গুজরাট, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশের মত শক্তিশালী রাজ্যেও কি বি জে পি সেই পথেই হেঁটেছে? কিংবা নির্বাচনের দোরগোড়ায় থাকা উত্তরপ্রদেশ ও পাঞ্জাবেও একই তৎপরতা দেখা গেছে? উঠছে প্রশ্ন।
শঙ্কা, সন্দেহের মাত্রা আরও জোরালো হয়েছে। দেখা যাচ্ছে শুধু ঐ একদিনই নয়, ৮ই নভেম্বরের আগেও দফায় দফায় ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের ঐ শাখাতেই জমা পড়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা। মোদীর আলোড়ন ফেলা ঘোষণার ঠিক ছয় দিন আগেই ১লা নভেম্বর ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের একটি কারেন্ট অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ৭৫ লক্ষ টাকা। অ্যাকাউন্ট নম্বর- 6365251388। জমা পড়া ঐ ৭৫লক্ষ টাকার পুরোটাই হাজার ও ৫০০টাকার নোট। ঐ অ্যাকাউন্টেই এরপর ৫ই নভেম্বর জমা পড়ে ১কোটি ২৫লক্ষ টাকা। বি জে পি-পশ্চিমবঙ্গ শাখার নামেই এই অ্যাকাউন্ট। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর নোট বাতিলের ঘোষণার আগেই ছয় দিনের ব্যবধানে চার দফায় এক হাজার ও ৫০০ টাকার নোটে মোট ৩ কোটি টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টেই জমা করেছে বি জে পি পশ্চিমবঙ্গ শাখা। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গ শাখার নামে যদিও এছাড়াও আরও কয়েকটি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে।
নোট বাতিলের চমকের ঘোষণা এবং তার জেরে তৈরি হওয়া প্রবল অস্থিরতার এই সময়তেই এভাবে শুধুমাত্র ৫০০ ও ১০০০ হাজার নোটের বিপুল পরিমাণ অঙ্ক বি জে পি’র অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ে যাওয়া কি নিছকই কাকতালীয়? নিছকই সাধারণ বিষয়?
উঠছে প্রশ্ন। শঙ্কা যদি সত্যি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই কালো টাকার বিরুদ্ধে যুদ্ধের চেহারা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে? প্রশ্ন উঠছে ঘোষণার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েও।
[11/11 7:21 am] Chanchalda Kalyanda: ইমানুল সাহেব, এটা শুধুমাত্র সরকার বিরোধী বা পক্ষের প্ল্যাটফর্ম নয়। কিম্বা ভাষা ও চেতনা সমিতির মুখপত্রও নয়। আপনি অনুগ্রহ করে এখনো পীযূষ দেবের প্রশ্নের উত্তরও দিতে পারেন নি। গোমাংস নিয়ে কথা না বাড়ানোই শ্রেয়। নইলে কাউকেই আর বারণ করা মুস্কিল হয়ে যাবে। সবাই বুঝতে পেরে যাচ্ছেন যে ভাষা ও চেতনা সমিতি আসলে একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। আমরা এখানে কোনো রাজনৈতিক দলের মুখপত্র হিসাবে কাজ করতে রাজী নই। এখানে যারা সদস্য তারা অত্যন্ত গুণজন, অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন এটা তাদের পছন্দ নয়।
[11/11 8:01 am] +91 94331 15595: online কেনাকাটা বাড়িয়ে দেওয়া দুদিন এটিএমের বন্ধ ব্যাঙ্কে বিরাট লাইন করানোয় উদ্দেশ্য। এই করে পোস্ট অফিসে কোর্ট ব্যাঙ্কিংয়ের নামে মানুষ কে ভুগিয়ে বিরক্ত করে শেয়ার বাজারের দিকে ঠেলে পাঠাতে চেয়েছে কয়েক মাস আগে। এবার সরকারি ব্যাঙ্কের নগদ লেনদেন কমিয়ে অনলাইন বাটপাড়দের সুবিধা করে দিতে চাইছে। ঘুষখোর তোলা বাইজিদের অসুবিধা না হলেও মধ্যবিত্ত গরিব ছোট দোকানদার মাছ মাংস সব্জি বিক্রেতা মরবেন।
[11/11 8:41 am] +91 91636 29934: There is nothing better than other people praying for you. As we're getting older, we need each other more & more.
Please pick FIVE people you want God to Bless. I pick you!.Please pass this to at least FIVE people you want to pray for. This prayer is powerful, and prayer is one of the best gifts we receive. There is no cost but a lot of Rewards. Let's always pray for one another.
THE PRAYER:
〰〰〰〰
Dear God We Thank YOU for each and every day YOU have blessed us here on earth.
〰We are grateful for Your Blessings you bestowed on us .
〰Thank YOU for giving us friends and family to share these joys with.
〰Dear God I want You to bless my friends, family, relatives and all my loved ones who are reading this right now
〰Where there is joy, give them continued Joy & Happiness . Where is ill-health; give them wholeness of health
〰Where there is pain; give them your Strength & faith.
〰Where there is self-doubt, release a renewed confidence.
〰Where there is need, fulfill their needs.
〰Bless their homes and families.
〰Bless their going out and their coming in…
〰Best of all , Grant All of us,
Love for each other & Mother Nature.
NEVER POSTPONE JOY & HAPPINESS God bless all!!🙏
Comments