কৃষ্ণ কথা
#গদ্যসাহিত্য
অথঃ কৃষ্ণ কথা (১)....
আমার অতিশয় মন্দমতি, নাহলে কোন সাহসে এই কৃষ্ণকথা বলার সাহস করি। কৌতূহলের প্রাবল্যের কাছে ভক্তি আমার বড়ই কম। ছোটবেলায় ' কিষ্ট যাত্রা ' দেখতে যেতাম। গাঁয়ের মাঝামাঝি জায়গাতেই সাধারণত গাঁয়ের দেবতা অধিষ্ঠান করেন, সে শীতলা, কালি, চণ্ডী যাইই হোক না কেন। তবে পুরুষ দেবতার থেকে মহিলা দেবীই গাঁয়ের মন্দিরেই থাকেন। এর পিছনেও সামাজিক ইতিহাস অত্যন্ত স্পষ্ট। ধান ভানতে শিবের গীত গাওয়া আমার পুরানো অভ্যাস। আপাতত এই অভ্যাস ছেড়ে মূল কথায় আসি। তা ওই কিষ্ট যাত্রার যেটুকু এখনও মনে আছে, তা হলো একটি গান ও তার সঙ্গে একটি নাচের দৃশ্য। "আজ কেন গো নিধুবনে রাধাকৃষ্ণ একাসনে.... ", এই গানটির সঙ্গে একটি কালো বালক ও একটি ফর্সা বালিকা হাত তুলে তুলে নেচে নেচে সারা স্টেজ ( স্টেজ আলাদা করে হত না, গাঁয়ের বালক-বালিকাদের সঙ্গে মা-ঠাকুমারা সামনের দিকে ও তার পেছনে গাঁয়ের পুরুষেরা একটি জায়গা ছেড়ে পেছনে খড়ের লুটি দিয়ে গোল হয়ে বসে পড়তেন, চারটি খুঁটিতে ডে-লাইট ( হ্যাজাক আলো) ঝুলতো, সঙ্গে লম্বা চুলের বাঁশিওয়ালা ও তবলচি, গলায় তুলসীকাঠির মালা জড়ানো ডালা খোলা হারমোনিয়াম নিয়ে প্যাঁ পোঁ ধরার একজন, আর সবচেয়ে আকর্ষণ করতো, ঝাঁইওয়ালা ( করতাল) , যার সবচেয়ে বেশি মাথা নড়তো ; যা আমাদেরও নাড়িয়ে চলতো। কিন্তু ওই যে " নিধুবনে রাধাকৃষ্ণ " ছাড়া কৃষ্ণের আর কোনো কিছুই বালক-কর্ণে কিংবা বালক- চোখে ধরা পড়তো না। অষ্টপ্রহর, গ্রাম বাংলার একটি অতিপ্রিয় গ্রামীন উৎসব। এই তো সেদিন, আমাদেরই গ্রামে আমি, Chaitali, Anirban দেখতে গেলাম। যদিও পুরো থাকা হয়ে ওঠে না, তবুও বেশ উপভোগ্য। ভক্তি ও লীলারসের সঙ্গে গ্রামের মানুষদের বিড়ির ধোঁয়া এক মায়াজাল বিস্তার করে। অতি পাপী আমি। আমারও কেমন ভক্তি ভক্তি করতে ইচ্ছা করে বা সাময়িক মোহাবিষ্ট হই। বাড়ি আসতে যেটুকু পথ, গলা ছেড়ে ওই সুরেই গান গাইতে গাইতে বাড়ি ফিরি। আর আমি গান গাইলে কোনো কৃষ্ণই আমার পাশে যে ভিড়বে না বা রাধিকাও জুটবে না, তা বিলক্ষণ জানি। তবুও, ওই যে সাময়িক মোহ, নিজেকেও কেষ্ট কেষ্ট ভাবা থেকে বিরত করতে পারি না। যাইহোক, আজ আমার এই কৃষ্ণকথায়, কৃষ্ণের জন্ম বা তার ইতিহাস কি, একটু জানতে ইচ্ছে করলো। যদিও জানি এই জানাটা সকলেরই জানা, তবুও আমার মত অ-ভক্তের চোখে কৃষ্ণকে কেউ জেনেছে বলে মনেহয় না। বঙ্কিমচন্দ্র যদি থাকতেন তাহলে আমার পিঠে কত যে বাখারি ভাঙতেন, তার ইয়ত্তা থাকত না।
কৃষ্ণ কি সত্যিই ঐতিহাসিক পুরুষ? মেগাস্থিনিসের বিবরণে মথুরাতে একজন শক্তিশালী পুরুষের উল্লেখ আছে, তবে তিনি কৃষ্ণ কিনা জানা নেই বা বলাও নেই। আসলে এই আলেকজাণ্ডারের ভারত আক্রমণের পরেই তো বিদেশীদের কাছে আমরা প্রথম ইতিহাস জানি, ভারতীয়দের থেকে ভারতবর্ষের ইতিহাস আর তৎকালীন সময়ে জানলাম আর কোথায়? ফলে চতুর্বেদ, মহাভারত, রামায়ণ, জৈন বা বুদ্ধদের সাহিত্যকেই ইতিহাস ইতিহাস বলে আমরা মাথায় করে লাফাতে থাকি। আর অষ্টাদশ পুরাণ যখন লেখা হয় তখন যে যীশুখ্রিস্ট জন্মে গেছেন এ বিষয় মোটামুটি নিশ্চিত। সুতরাং, পুরাণের কথা যে ইতিহাস কথা নয়, এ বলা বাহুল্য। ফলে আমরা ইতিহাস বলে যেটুকু পাই, তা ওই সাহিত্যগুলো থেকে খুঁজে পেতে খুঁজে পেতে। ফলে বিশ্বাস ও ভক্তির প্রাবল্যে নৈবর্ক্তিক ভাবনা যেমন পাওয়া দুষ্কর, তেমনই অবিশ্বাস ও অভক্তির ( বস্তুবাদ বা জড়বাদ) ঠ্যালায় সেখানেও নৈবর্ক্তিক ভাবনার লেখা পাওয়া দুষ্কর। আর আমাদের মারপিটগুলো তো এখানেই। ইতিহাস যেখানে নেই, সেখান থেকে ইতিহাস ইতিহাস, ঐতিহাসিক সত্য বলে লাফানো, চেঁচানো, এই বেশ গায়ে -গতরে থাকা অলস ভারতবাসীর এক চিন্তা-বৈভব তো বটেই, এবং তা বিস্ময়েরও।
আমার বাড়িতে নাকি বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহন করেছিলেন স্বর্গীয় রাধানাথ দাস, আমার দাদুর বাবা। গৌর- নিতাই এর ভক্তি প্রাবল্যে আমার স্বর্গীয় পিতার ছেলেবেলায় অষ্টপ্রহর নাকি বেশ নিষ্ঠার সঙ্গেই পালিত হত, ঠাকুমা স্তরের মহিলারা ( তখন যৌবনবতী) , পাট কাঠির আড়ালে থেকে এই নামগান উপভোগ করতেন। সে কাহিনীগুলো বাবার কাছেই শুনেছি। আমরা দেখেছি মহোৎসব। আর সেই সঙ্গে ওই সারারাত ধরে কীর্তন গান। ভোরের দিকে গায়কের গলা ভেঙে চৌচির, মোরগের ডাকও তখন সুমিষ্ট, সেমতাবস্থায় পালাগানের কৌতূক, ভোরের নিদ্রার ব্যাঘাত ভাঙানো আর এই প্রায় বৃদ্ধাবস্থায় হাস্যোদ্রেক ছাড়া আর কিছুই করতে পারলো না। পরিবারের কথা একারণেই বললাম কারণ, আমার পরিবারের এই ইতিহাসটাই কৃষ্ণমুখী, ঠিক আমার মত, মুখপোড়া। কিন্তু আমার বিবাহের পর বাড়িতে আমার গিন্নীর ভ্যানিটি ব্যাগে একটি তিন ইঞ্চি বাই দুই ইঞ্চির গোপালের ফ্রেমে বাঁধানো ছবি এসে উপস্থিত হলো। সেই প্রথম জানলাম, জন্মাষ্টমী কি বস্তু! বাপের বাড়ি থেকে আমি তাকে বলপূর্বক আনলেও এই গোপালটি যে তাঁর ত্রাণকর্তা হিসাবে আমার মত সংহারকের হাত থেকে রক্ষা করে চলেছে, তা বেশ নিভৃতেই জেনেছি সেই প্রথমবেলায়। আর এ-বেলায় তিনি সেই ত্রাণকর্তা যে আমাকেই সংহার করে চলেছেন, এ আমি ভিন্ন কাহারও জানার কথা নয়। তিল থেকে তাল, সংগ্রহের হ্যাপা তো আর কৃষ্ণকে পোয়াতে হয়নি, তিনি তো দেবতা হয়েই বসে আছেন, একমাত্র মহাভারতেই যেটুকু মানুষ হয়ে নিঃশ্বাস ফেলেছিলেন, পরে পরীক্ষিত এর নাতি জনমেজয় এমন বায়না জুড়লো যে সৌতির হাত ধরে, " হরিবংশ " লিখে তবে নিস্তার পাওয়া গেলো। আর এই হরিবংশ, যত নষ্টের গোড়া। কখনো মহাভারতে ঢুকে পড়ে ৯৬০০০ হাজার শ্লোক পূরণ করে, লক্ষ্যশ্লোকীর জায়গায় আবার কখনো একে আদি পুরাণ বলে মহাভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেখা হয়। তবে সন্দেহ নেই, এই হরিবংশের পরেই প্রথম যে পুরাণ রচিত হয় তা হলো বিষ্ণুপুরাণ। এইভাবে ক্রমে ক্রমে মোট আঠারোটি পুরাণের মধ্যে দশটি পুরাণই ( বিষ্ণুপুরাণ, ব্রহ্মপুরাণ, পদ্মপুরাণ, বায়ুপুরাণ, গরুড়পুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ, স্কন্দপুরাণ, বামনপুরাণ, কূর্মপুরাণ, দেবীভাগবতম্) উপচে পড়া কৃষ্ণ মাহাত্ম্য সমগ্র ভারতবাসীকেই ভাসিয়ে নিয়ে গেলো। তারপরে এলো চৈতন্যদেব। তবে চৈতন্যদেব নিয়ে আমার কোনো ফাণ্ডা নেই, তাই ওপথে ভুলেও যাবো না।
আমি কেবল কৃষ্ণের বংশ, আর জন্মের সময়টাই লিখবো, পরের অংশে। আর দেখাবো যে, এই জন্মাষ্টমীকে কেবল ভক্তির প্রাবল্যে নয়, বর্তমান সময়েও এই কৃষ্ণজন্ম সময়কাল বহমান এবং একজন সেই মানুষকেই প্রয়োজন, যিনি সেই সময়েও টালমাটাল রাজনৈতিক, ধর্ম ও বর্ণ ভিত্তিক, রাজতন্ত্র বিরোধী গণতান্ত্র প্রতিষ্ঠাকারী ও সর্বোপরি তারুণ্যে বিশ্বাস রেখেছিলেন, সেই মানুষের মননটাই আপামর ভারতবাসীর মধ্যে জাগ্রত হোক। কারাগারে জন্ম- আসলে মানুষের মনেই যে কারাগার ছিল, সেই কারাগার থেকেই জন্মেছেন যে কৃষ্ণ, যিনি মানবমনের কারাগারকে মুক্ত করার চেষ্টা করেছেন, কোথাও পেরেছেন আবার কোথাও বা পারেননি ( আমার কথা এখানে আজ নয়) সে আলাদা কথা। তবে জরাসন্ধের অত্যাচারে মথুরা ছেড়ে দ্বারকায় পালিয়ে যাওয়া সেই কৃষ্ণ, যিনি খণ্ডিত ভারতবর্ষকে এক অখণ্ডিত বা একত্রিত ভারতবর্ষে পরিণত করার চেষ্টা করেছিলেন ---- তেমন মানুষের প্রতি কেবল ভক্তি নয়, নিজের মনকে জারিত ও উদ্বুদ্ধ করার মধ্যেই দিনটি উদযাপিত করুক সমগ্র ভারতবাসী।
--------------------------------------
#গদ্যসাহিত্য
অথঃ কৃষ্ণ কথা ২
পুরাণ বড় গোলমেলে । তারিখ , তিথি ইত্যাদি থাকলেও সন পাওয়া যায় না । যেমন গ্রামের খুব প্রাচীন রামদাদুকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় , দাদু , তুমি কোন সালে জন্মেছ ? তাহলে সাল কক্ষণো বলতে পারবে না কিন্তু , ওই সময় ঝড়-বৃষ্টির কাল কিনা , ফসল ভালো হয়েছিল কিনা , গান্ধিজীকে দেখেছেন কিনা , ইত্যাদি কিন্তু প্রায় নির্ভূল বলে যাবেন । আর আমরা আশেপাশের যারা তারা এবার ঝগড়া বাধিয়ে বসবে যে , এই ওটা ১৯১৩ , কেউ বলবে ১৯২৫ ইত্যাদি । ঠিক এই ঘটণাই ঘটে এনাদের মত পুরাণ ও কাব্য-নির্ভর মহানায়কদের খ্রিস্টপূর্ব কত , এটা বলতে । তাই নানা মত অবশ্যম্ভাবী হয়েই উঠে আসে । আমার লেখায় আমার এই সন-বিশ্বাসের কথা মুলতুবিই থাক । আজ জন্মাষ্টমী , এটা কিন্তু খুব পরিষ্কার লেখাই আছে । তাই এটুকুই সত্য হয়ে থাক । এবারে আসি সময় । এই সময়টা কিন্তু বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ । সেই সময়ে যাবার আগে এই কৃষ্ণ , কোথায় কিভাবে বর্ণিত সেটা একটু দেখে নেই । ঋগবেদে ‘ঋষি কৃষ্ণের’ –উল্লেখ কিন্তু একাধিকবার আছে । খিল-সূক্ত ১০/১ –এ বলা হয়েছে , “কৃষ্ণ বিজ্ঞো বাসুদেব হৃষিকেশ নমস্তুতে” । মন্ত্র কৃষ্ণ , বাসুদেব ও বিষ্ণুকে অভিন্ন করে দেখানো হয়েছে । এই জায়গায় ‘খিল’ কি , একটু বলে নেই । দুটো দরজার বা জানালার পাল্লাকে আমরা এই খিল দিয়েই যুক্ত করি । তেমনি খিল-সূক্ত হলো পরবর্তীকালে যুক্ত হয়েছে মূল অংশের সঙ্গে । এই ঋগবেদের কৃষ্ণ কিন্তু অঙ্গিরসবংশীয় , আবার ছন্দোগ্য ঊপনিষদেও অঙ্গিরস বংশীয় ও দেবকীপুত্র । আবার অন্যদিকে মহাভারতে ও হরিবংশে কৃষ্ণ দেবকীপুত্র । ফলে একটা জটিলতা তৈরি হয়ে যায় । আবার জৈন্যদের মধ্যে বাসুদেব –বলরাম গোষ্ঠীপতি হিসাবে জনপ্রিয় ছিল । জৈনগ্রন্থে কৃষ্ণ নবম বাসুদেব এবং দ্বারকার সঙ্গে সম্পর্কিত । ফলে ধর্মীয়গ্রন্থে একাধিক কৃষ্ণের অস্তিত্ব থাকায় , কৃষ্ণের নাম রহস্য থেকেই যায় । মহাভারতের কৃষ্ণ কিংবা হরিবংশে দেখি , এই কৃষ্ণ বৃষ্ণিবংশজাত ( যাদব বংশের ) এবং দেবকী পুত্র , ক্ষত্রিয়বীর । ফলে ঋগবেদের কৃষ্ণের সঙ্গে একে এক করে দেখাটা বেশ কষ্ট-কল্পিত ।
এবারে একটু বংশ বৃত্তান্তে আসা যাক । রাজা নহুষপুত্র হলেন যযাতি । এই যযাতির গল্প আমরা প্রত্যেকেই জানি । এই যযাতি-দেবযানীর সন্তান হলো যদু ও তূর্বসু এবং যযাতি-শর্মিষ্ঠার সন্তান হলো দ্রুহু , অণু ও পুরু । এই যদু থেকেই যাদব বংশ এবং পুরু থেকেই পৌরব বংশ । এই পৌরব বংশের ধারা থেকেই দুষ্যন্ত-শকুন্তলা , ভরত , ভরত থেকে দশম পুরুষ হলো কুরু , যার থেকেই কৌরব বংশ । কৃষ্ণই যখন আলোচ্য তখন কৌরব থাক এখন দূরে দূরেই । এই যদু থেকেই হৈহয় , বৃষ্ণি , অন্ধক ও যাদব বংশ । একটু বলে রাখি , এই যযাতি তার পুত্র যদুকে পৃথিবীর উত্তর-পূর্ব অংশ দিয়েছিলেন । এখানে পৃথিবী কেন বলা হয়েছে তা বলতে পারবো না । তবে মনেহয় আর্যরা যতটা বিস্তার লাভ করেছিলেন , তাকেই পৃথিবী বলতেন , তাছাড়া তখনও ভরতের যেহেতু জন্ম হয়নি , তাই ভারতবর্ষ বলাও বিবেচ্য হত না । এই যদু থেকে বৃষ্ণি নবম পুরুষ , এই বংশের একত্রিশতম পুরুষ শূরসেন , যাঁর পুত্র বসুদেব এবং কন্যাদ্বয় পৃথা (কুন্তী) ও শ্রুতশ্রবা ( শিশুপালের মাতা )। বসুদেবের দুই স্ত্রী , দেবকী ( পুত্র –কৃষ্ণ ) এবং রোহিনী ( ইনি কিন্তু কৌরব বংশের রমণী , বলরাম , সুভদ্রার মাতা )। অন্যদিকে দেবকীর বংশ্ লতিকা দেখে নেই একবার । এই যে যদুবংশ , এই বংশের পুত্র ক্রোষ্টুর তিনপুত্র , অন্যমিত্র , যুধাজিত ও দেবমীঢ়ষু । এখান থেকেই বৃষ্ণিবংশ তিনভাগে বিভক্ত হয়েছে । বৃষ্ণি , অন্ধক ও ভোজ । এই অন্ধক বংশের এক প্রখ্যাত গোষ্ঠীপতি হলেন কুকুর , এই বংশের অধস্তন হলেন আহুক , যার পুত্র উগ্রসেন ও দেবক । উগ্রসেন ও সুদেষ্ণার পুত্র হলেন কংস ( কংসকে দ্রুমিল –সুদেষ্ণাপুত্রও বলা যেতে পারে , একটু পরেই লিখবো ) এবং দেবকের কন্যা হলেন দেবকী । যে দেবকীর বিবাহ হয় বৃষ্ণিবংশীয় বসুদেবের সঙ্গে ।
(ক্রমশঃ)
Comments