চে গুয়েভারা কে নিয়ে কিছু কথা
এক_মানবরূপী_দানবের_কথা_অথবা_এক_দানবকে_দেবতা_করার_মিথ্যা_প্রয়াস
ধর্ষক এবং সন্ত্রাসী চে গুয়েভারা পৃথিবীর ইতিহাসে বিখ্যাত নাস্তিকদের অন্যতম ||
বুদ্ধিজীবিরা কিছু সত্য ইতিহাসকে অচল করে দিয়েছে। যেগুলো অচল হবার মত ছিলনা। তার মধ্য একটি হলো নাস্তিক চে গুয়েভারাকে হিরো বানানো। সব যাকে বীর হিসাবে নমঃ নমঃ করে। হুজুর, খেজুরদের ও ব্যাগে, টুপিতে, কাপড়ে যার ছবিলীলা।। কে ইনি জানেন? একজন কুখ্যাত কসাই। son of monkey, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের আদি পিতা।
এই চে গুয়েভারা পৃথিবীর ইতিহাসে বিখ্যাত নাস্তিকদের অন্যতম (১)আমাদের দেশের পত্রিকাওয়ালারা চে গুয়েভারার জন্ম কিবা মৃত্যু দিনে পারলে তার মুখে ফুল চন্দন দিয়ে পুজা করে। কিন্ত চে গুয়েভারার কুখ্যাত কর্মকান্ড তুলে ধরতে একদম নারাজ। চলুন তার আসল জগৎ জেনে আসি........
ছোটবেলা থেকেই চে গুয়েভারার ক্লাশের বন্ধুরা নোংরামির জন্য শুকর বলে ডাকত। ১০ দিনে একবার সান আর ৭-৮ দিন পরপর জামা বদলাতেন (২)। এক সময় নাস্তিক, কমিউনিষ্ট সমাজতন্ত্রবাদীদের সংস্পর্শে এসে সন্ত্রাসবাদের দেখা পান। আমাদের দেশের সংবাদজীবিরা তাকে হিরো বললেও অনেক বিশ্লেষক তাকে The killing man, The murderer হিসাবে তুলে ধরেছেন (৩)। তিনি অনেক সংগ্রামই পরিচালনা করেছেন। তার মধ্যে একটা হল কিউবা আক্রমন। শান্তি প্রতিষ্ঠার অযুহাতে চে গুয়েভারা কিউবা আক্রমন কালে সেখানে শত শত নারী, পুরুষ, শিশু হত্যা করেন। তখন কিউবায় রাষ্ট ক্ষমতায় ছিল বাতিস্তা সরকার। বাতিস্তা সরকারকে পরাজিত করে তিনি ফিদেল কাস্ত্রোর সহযোগীতায় সরকার গঠন করেন।। লোভী চে গুয়েভারা ঐ সরকারের বিভিন্ন পদ একাই দখল করেন ::যেমন শিল্পমন্ত্রী, জাতীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, সামরিক বাহিনীর ডিরেক্টর (৪)। এটা নাস্তিকদের সাধারণ মনোবৃত্তি, কৌশলে ভোগদখল।। যেন উপরেরটাও খেতে পারে নিচের টাও কুঁড়োতে পারে। যেসব সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, কবি সাহিত্যিক তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল যুদ্ধের পরে তাদের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করেন আবার তার হেড পদও দখল করেন। চিন্তা করে দেখুন এরা কতটা ক্ষমটা লিপ্সু। এই নাস্তিক কুকর্মা, ট্রাইবুনালের আসামিদের খুঁটির সাথে বেঁধে মাথায় খুলি বরাবর গুলি করে তাদের মস্তক চূর্ণ বিচূর্ণ করার হুকুম দেন। এমনকি এই সন্ত্রাসী ৬ মাসের এক অন্তঃস্বত্তা মহিলার পেটে গুলি করে হত্যা করতেও দ্বিধা করেননি (৫)। আহ্!!! একেবারে সহিহ নাস্তিকতার নিয়ম। ধর্ম মেনে আর লাভ কি? ধর্ম মানলেই ঝামেলা । । কিউবার la cabana নামক জায়গায় তার এই হত্যানামার সাক্ষী javier arzuga (৭৬ বছর) নামক ব্যক্তি যিনি বর্তমানে puerto rico তে বসবাস করেন। তিনি বলেন এই কসাই আমার সামনেই ডজন ডজন মানুষ কুত্তার মত হত্যা করেছে। চে ব্যাংক ডাকাতির সাথেও জড়িত ছিল(৬)। এই লোকটার এত খুন খারাপির পিছনে উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। যে সমাজতন্ত্রের মূল কথাই হল সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করা যাবেনা। অথচ তার সময়ই চীনে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত ছিল। তখন চীনের সামাজিক অবস্থা কেমন অসভ্য ছিল তার একটা উদাহরণ শুনুন। চীনা সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৫৩ সালের এপ্রিল মাসে চীন সফর করেন ইন্ডিয়ান ডেলিগেশনের সদস্য ব্রজকিশোর শাস্ত্রী । তিনি ছয় সপ্তাহকাল চীন সফর করে শ্রমিকদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন ""সেকি মর্মান্তিক দৃশ্য। আমি সেখানে হালের সঙ্গে বলদের বদলে মেয়েদের বাঁধা দেখেছি।"" বুঝলেনতো গুয়েভারার আদের্শর নমুনা। শুধু এটাই নয় এই সমাজতন্ত্রী নাস্তিক কমিউনিষ্টরা কোটি কোটি মানুষকে গরু ছাগলের মত খুন করেছে।
অপরদিকে তাকে হিরো বলা হলেও গুয়েভারা কিন্ত তার জীবনের বেশিরভাগ যুদ্ধ গুলোতেই ব্যর্থ। যেমন নিকারাগুয়া, কঙ্গো, পানামা , হাইতি, বলিভিয়া। এই সবগুলোতে সে ব্যর্থ । l
আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে এই কুখ্যাত ব্যর্থ সন্ত্রাসীর এমন হিরো হিরো ইমেজ গড়ে উঠলো কেমন করে? দেখুন বর্তমান জামানার মালালাকে কেউ চিনত না। কিন্ত মিডিয়াগুলো তাকে এমন বীরঙ্গনা বানিয়ে ছাড়লো যে শেষে তাকে নোবেল দেবার জিকির জপা হল। অথচ তার সাথে আরো অনেক শিশু ছিল। তাদের কি হল কেউ খবর রাখে না ।
যা হোক গুয়েভারার বেলায় ও এমনটাই করা হয়েছিল। তার বন্ধু ফিদেল কাস্ত্রো কিছু সংবাদ জীবিকে কবুতরের মত পুষেছিল যাদের সামনে টাকা ছিটালেই উড়ে এসে হাতে বসত। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল নিউ ইয়র্ক টাইমসের হারবার্ট ম্যাথিউ, CBS এর এড ম্যুরো ও ড্যান রাদার, ABC র বারবারা ওয়াল্টার্স । এরাই গুয়েভারাকে হিরো বানাতে সাহায্য করেছিল। বর্তমান কালেও যে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অসভ্যদের হিরো বানানো হয় তার প্রমাণ আছে।
এত কিছু সত্ত্বেও এই কুখ্যাত নাস্তিক রেহাই পায়নি।। যুদ্ধের সময় বলিভিয়ার আর্মিরা তাকে শুধু হত্যাই করেনি পরবর্তীতে তার দুই হাত কেটেও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।
তাই যে সমস্ত ভাইয়েরা না জেনে নাস্তিক গুয়েভারার ছবি যুক্ত ব্যাগ, শার্ট, টুপি ব্যাবহার করে তাদের সতর্ক করা দরকার। তাদের বোঝানো দরকার আমাদের শরীরে কিউবার কোন কসাই নাস্তিকের ছবি থাকতে পারেনা । no more che......
একটা আইডিওলজির ৩ টা পার্ট ইমপ্লিমেন্টেশন, প্রপাগেশন এ্যান্ড প্রটেকশন। কমিউনিজম থ্রু চে তাদের আইডিওলজির প্রপাগেশন করে, একধরনের ফ্যাসিনেশন তৈরী করে চে এর প্রতি এবং পরবর্তীতে তরুনেরা ইমোশনালি ঝুকে পড়ে কমিউনিজমের দিকে, নাস্তিকতার দিকে, যেটা তাদের রিক্রুটমেন্টের একটি শ্যালো প্রক্রিয়া। তাই আমরা মনে করেছি যে চে নামক তথাকথিত এই মহামানবের কিছ মানবীয় ভুল ত্রুটি মানুষের সামনে তুলে ধরা উচিত এবং বোঝানো উচিত যে তথাকথিত মহামানব ভুলে ভরা।।এখন অনেকেই অপ্রয়োজনীয় গালাগালি করবে আমরা জানি, আমাদের কথা হচ্ছে, অপ্রয়োজনীয় গালাগালি বাদ দিয়ে কোন অংশের সাথে দ্বিমত পোষণ করছেন তা উল্লেখ করতে পারেন!!! এমন নয় যে আমরা সংশোধিত হতে পছন্দ করিনা। কিন্তু সত্য সত্যিই।
তথ্যসূত্র :::
১.http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_atheist_activists_and_educators
২. http://listverse.com/2009/05/24/top-10-things-you-didnt-know-about-che-guevara/
৩+৪+৬. http://www.independent.org/newsroom/article.asp?id=1535
৪ .The black book of communism.
৫. http://en.wikipedia.org/wiki/The_Hands_of_Che_Guevara
অনেকেই শুধু এই পোস্টের সোর্স কে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন!!! আমরাও বলছিনা উইকিপিডিয়ার কথা শিরোধার্য!!! কিন্তু বিষয় হচ্ছে আপনারা পারলে প্রমাণ করুন দা কন্টেন্টস আর রং !!! শুধু সোর্স কে প্রশ্নবিদ্ধ করলেই সবকিছু ভুল হয়ে যাচ্ছেনা, এটা ধ্রুব সত্য নয় যে উইকিপিডিয়া যাই বলে তাই ভুল। তাহল আপনি ইনেভিটেবলি বলতে পারতেন যে উল্লেখিত তথ্য গুলো ভুল। যেহেতু উইকিপিডিয়া বাই ডিফল্ট ভুল নয় তাহলে এর থেকে শেয়ারকৃত সবকিছু বাই ডিফল্ট ভুল হয়ে যায় না। আর এখানে উইকির বাইরের ও অনেক সোর্স শেয়ার করা হয়েছে। উইকি লিঙ্ক এ গেলে দেখবেন সেখানে উইকির বাইরের অনেক লিঙ্ক রেফার করা হয়েছে। মূলত আমরা নাস্তিক কিংবা কমিউনিজমে বিশ্বাসীদের অন্ধ বিশ্বাসী হিসেবে পেয়েছি, তারা কোন প্রমাণ ছাড়াই সবকিছু মেনে নেয় এবং যখন তাদের বিশ্বাস, অন্ধ বিশ্বাস প্রশ্নবিদ্ধ হয় তখন তারা গালি-গালাজ করে। মাও সে তুং, লেনিন কি রকম ছিল এটা যারা ইতিহাস পড়েছে তারা সবাই জানে, এরা মানুষ মেরেছে হাজারেও না লাখেও না কোটিতে!!! কমিউনিস্টরা যে পিশাচ এটা প্রমাণের দরকার নেই। ইটস ইউনিভার্সাল ট্রুথ।
(সংগৃহিত from the timeline post of Sreetama Paul)
Comments