কবিতা পাক্ষিকের মুরারী সিংহ দাদার সাথে
[18/03 10:44 am] রা জে ন্দ্র: Edited onnce again _
মা নিষাদ _ রা জে ন্দ্র
*******************
বিনা যন্ত্র মন্ত্রেই
জলের গভীরতা মাপা যায়
শ্যাওলা আর চকমকি পাথর
পাশাপাশি দেখা যায়
ঘষা কাঁচের মতো
সময় গলে যায়
বয়ে চলে ভাগ্যবতী তমসা
ভাগীরথী কোল ছেড়ে
গোধুলির আধো আলো দূরে
শুধুমাত্র বল্কলই সম্বল করে
আনন্দে আচ্ছন্ন
একাকী নীরব অবগাহন
ভেঙে হয় খানখান্
বিঁধে যায় আর্তি আর আর্তনাদ
তীরের মত ছুটে এসে
আছো কে কোথায়
বাঁচাও আমায়
নাহ্
কেই বা আসবে আর
এই অবেলায়
ঘর ফেলে তার
ছেড়ে সব দরকার
গেলো উড়ে তরতাজা প্রাণ
ব্যাধ শরে ভূপতিত সঙ্গী
এখন শুধুই শোনে
বুকভাঙা উপচে পড়া
তমসার ঘন জঙ্গল
ধুয়ে গেলো কিছুটা
জমাট রক্তের দাগ
আর _
ভেসে যায় বাল্মিকী মন
চোখের জলে টলোমল
© রা জে ন্দ্র / 18 । 03 । 2017
10:41 A.M.
[18/03 10:57 am] মুরারী সিংহ: ধন্যবাদ বন্ধুরা ... আমরা আবার স্বাভাবিক ছন্দে... শানু সুজিত সৌম্য রাহুল জয়শ্রী রূপক রাজেন্দ্র সকলের কবিতাই ভালো হয়েছে...
[18/03 11:00 am] মুরারী সিংহ: জয়শ্রীকে আবার আকটিভ দেখে ভালো লাগছে... ভালোলাগছে বিনায়কের মন্তব্য... আর একতা বদল রাজেন্দ্র সবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে চাইছে... আর আমাদের দুধের শিশু সুজিতের কবিতায় হিসু সঙ্গম ঢুকে পড়ছে... এটাও বদল বৈকি...
[18/03 11:01 am] রা জে ন্দ্র: দিনের শেষে _ এই কবিতা পাক্ষিক _ আমার বেঁচে থাকার ভালো থাকার আনন্দে থাকার একমাত্র সহজ রসদ ।
[18/03 11:02 am] রা জে ন্দ্র: আমি লিখতে পারি বা না পারি, দিনের শেষে বা শুরুতে একটা কবিতা পড়লেও আমার গোটা দিন টা সুন্দর কাটে
[18/03 11:03 am] রা জে ন্দ্র: তাই যতই যাই হোক, এই কপা আমার অক্সিজেন
[18/03 11:04 am] রা জে ন্দ্র: ❤❤❤❤❤❤ মুরারী দাদা, যতই বকা দেবার দিও, শুধু তাড়িয়ে দিওনা আমাকে ।
[18/03 11:04 am] মুরারী সিংহ: স্তোত্র-ভাবনা
এই যে দাদা প্যান্টের জিপারটা আগে ঠিক করুন
রাস্তা তো শুরুই হল না
এখনই পথ নিয়ে এত ভেবে কী হবে
পথ মত ও চিহ্নের দরবারে
অজস্র ভক্ত-সমাগম
কপাল পেতে সবাই চাইছে তিলক-ফোঁটা
বুকের ভিতর কাণ্ডজ্ঞান ছটফট করছে
আর দেহভাণ্ড ভেসে যাচ্ছে ডিগ্রি-নৌকোয়
পাপ ও পূণ্যের কথোপকথন থেকে
আমি অবশ্যি সরিয়ে নিয়েছি আমার ছলাকলা
আলতাপেড়ে জ্বরের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে
আমার টিনোপলে ধোওয়া ঝিনুক-কাহিনি
জেলপেনে লেখা জেলখানাটিকে ঘিরে
এত কাম-তাড়িত নদীর টাপুর-টুপুর
এত কর্ডলাইন-মেনলাইনের ভেজা বিগ্রহ
নীল-ঘোড়ার খুরে খুরে এত হইচই-চাষ
পরাগধানীর স্তোত্র-ভাবনায় উঁকি মেরে দেখি
ওমা কী বেসুরো-সুন্দর তার বর্ষাকাল
[18/03 11:07 am] +91 97489 72889: আমাদের পরিবারের অনেকেই কিন্তু কিছু বছরের ভিতর বাংলা কবিতার ডাইমেনশন্ যে আরো বদলে দেবে,এ কথা অনস্বীকার্য।আর এটা এই সময়ে খুব জরুরী।
[18/03 11:14 am] রা জে ন্দ্র: আমি অনেকটাই ধরতে / বুঝতে পারিনি । তবুও আমার পড়তে ভালো লেগেছে । এই জন্যেই আমার কাছে কপার এতখানি আকর্ষণ বোধ _ এতটা ভালোলাগা । ভাবনা গুলো কিলবিল করে ওঠে লেখা পড়ে । নতুন ভাবনার জন্ম হয় ।
[18/03 11:22 am] মুরারী সিংহ: রাজেন্দ্র এটা আর কিছুই নয় অজস্র চিহ্ন দিয়ে ঘেরা যে চারপাশ তার বেরিয়ে এসে একটা অমীমান্সার দিকে যেতে চাওয়া। গোটাটাই আইডিয়া
[18/03 11:24 am] রা জে ন্দ্র: আসলে এক সাথে এত কিছুর সমাহার যে relate করতে বেগ পেতে হচ্ছে । কিন্তু পড়তে ব্যাপক লাগে আমার
[18/03 11:26 am] মুরারী সিংহ: তুমি ঠিকই ধরেছ রাজেন্দ্র এটাকে আমরা বলি বহু রৈখিকতা
[18/03 11:27 am] রা জে ন্দ্র: এই জন্যেই আমি ঠিক সামলাতে পারিনা । কিন্তু আমার এই জাতীয় লেখা পড়তে খুব ভালো লাগে
[18/03 11:28 am] মুরারী সিংহ: এই বহুরৈখিকতাকে বোঝা এমন কোনো শক্ত ব্যাপার নয়। ধরো তুমি হাতে যে মোনাইলটি ব্যাবহার করছ তার আদি রূপ ঠিক কী ছিল একতু ভাবো
[18/03 11:28 am] মুরারী সিংহ: মোবাইল
[18/03 11:28 am] রা জে ন্দ্র: আর এখন এটা Tablet
[18/03 11:29 am] রা জে ন্দ্র: Telephone ছিলো
[18/03 11:29 am] রা জে ন্দ্র: তারও আগে শুধু চিঠি বিনিময়
[18/03 11:31 am] মুরারী সিংহ: একটা ফোন । গ্রাহাম বেলের আবিষ্কার। যা রাখা থাকত অভিজাত পরিবারের টেবেলে। দূরে কার সংগে কথাবার্তা বলার জন্যে... তারপর তার কত রূপ বদল হতে হতে একদিন এল মোবাইল জমানো। তখন আর টেবিল নয় তার জায়গা হল মানুষের হাতে পকেটে।
[18/03 11:32 am] মুরারী সিংহ: তারপর তার সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করল গান ছবি ভিডিও থেকে শুরু করে কী নয়... প্রতিদিন নিত্যনতুন বৈশিষ্ট্য এড হচ্ছে ... ের শেষ কোথায় কেউ জানে না
[18/03 11:33 am] মুরারী সিংহ: আর এখন তার আভিজাত্যের কোনো বালাই নেই...
[18/03 11:33 am] রা জে ন্দ্র: কবিতাতেও ঠিক সেটাই হচ্ছে । চর্যাপদের সান্ধ্যভাষা থেকে আমরা এখন বহুরৈখিকে প্রবেশ করেছি
[18/03 11:33 am] মুরারী সিংহ: একবারে প্রান্তিকে থাকা ম্নুষতিও এখন তা ব্যবহার করতে সক্ষম
[18/03 11:35 am] মুরারী সিংহ: এই যে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অজস্র পরিবর্তন এটা যেমন আপডেট তেমনি নানা ফাংশনকে জুড়ে দেওয়া এটা হল বহুরৈখিকতা...
[18/03 11:35 am] মুরারী সিংহ: তার মানে এখন ফোন মানে আর শুধু কথা বলা নয় এক সঙ্গে অনেক কিছু
[18/03 11:40 am] মুরারী সিংহ: তুমি ভাবো প্রতি মুহূর্তে তোমার মাথায় একের পর এক কত ভাবনা আসছে... লেখার সময় তুমি তাদের একতাকে বেছে নিয়ে তার উপর মনোযোগ দিতে চাইছ... বাকি ভাবনার কিন্তু আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে... তুমি যদি মন আলগা কর তারো তোমার কবিতায় ঢুকে পড়তে পারে... তখন একসঙ্গে অনেকগুলো স্বর বেজে উঠবে... তোমার কবিতা হবে বহুস্বরিক মনে হবে এক সঙ্গে যেন অনেক মানুষ কথা বলতে চাইছে
[18/03 11:42 am] মুরারী সিংহ: সব মিলিয়ে একটা জটিলতা তৈরি হবে ঠিক কিন্তু যদি ভাবনাগুলোকে আলাদা আলাদা করে দেখো তাহলে দেখবে প্রত্যেকেই শজ সরল... কারণ একটা বক্ররেখা গড়ে ওঠে অজস্র সরলরেখা নিয়ে...
[18/03 11:43 am] মুরারী সিংহ: এই ভাবে ভাবো দেখো অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে
Comments