Sister Nivedita
*ভারত কন্যা নিবেদিতা*
*শেষের কদিন*
ক্রিস্টিন বোসপাড়া লেনের বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর কার্যত ওই বাড়ি একেবারেই ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। একা, নিঃসঙ্গ অবস্থায় নিবেদিতাই তখন থাকতেন ওই বাড়িতে।
গোপালের মা তাঁর জীবনের শেষ দুটি বছর কাটিয়ে গিয়েছেন ওই বাড়িতে। তিনিও আর নেই। মাত্র কিছুদিন আগেই নিবেদিতার দীর্ঘদিনের সঙ্গী স্বামী সদানন্দও প্রয়াত হয়েছেন। ফলে, সর্ব অর্থেই নিবেদিতা তখন একা। সেই সময় শারীরিকভাবেও নিবেদিতা ক্রমশ আরো অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
দেখতে দেখতে ১৯১১-র পূজাবকাশ এসে গেল। প্রতি বছরের মতো ওই বছরের পূজাবকাশটিও বসু দম্পতির সঙ্গে দার্জিলিংয়ে কাটাবেন স্থির করলেন নিবেদিতা।
র্যাটক্লিফকে লেখা নিবেদিতার চিঠি থেকে জানা যায়, ১৯১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বসু দম্পতির সঙ্গে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছিলেন নিবেদিতা।
২১ সেপ্টেম্বর র্যাটক্লিফকে নিবেদিতা লিখেছিলেন, *We leave tomorrow for Derjeeling, Spiritually-- it is exactly one year since the telegr. calling me to America. How much has happened, since then! Six months absent---six month here.*
দার্জিলিং যাত্রার আগে নিবেদিতা একদিন গিরিশচন্দ্র ঘোষের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। নিবেদিতার বোসপাড়া লেনের বাড়ির খুব কাছেই থাকতেন গিরিশচন্দ্র। গিরিশচন্দ্র নিবেদিতাকে খুব স্নেহ করতেন। নিবেদিতা মাঝেমধ্যেই গিরিশচন্দ্রের বাড়িতে যেতেন। গিরিশচন্দ্রের নাটকগুলির মুগ্ধ পাঠক ছিলেন নিবেদিতা। দুজনের মধ্যে শ্রীরামকৃষ্ণ এবং স্বামীজিকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হত।
দার্জিলিং যাত্রার আগে নিবেদিতা যখন গিরিশচন্দ্রের সঙ্গে দেখা করতে যান, তখন গিরিশচন্দ্রও অসুস্থ। ওই অসুস্থতার ভিতরেই গিরিশচন্দ্র 'তপোবল' নাটকটি রচনা করছিলেন। নিবেদিতা তাঁকে উৎসাহ দিয়ে আসেন। বলে আসেন, নাটকটি তাড়াতাড়ি শেষ করতে; দার্জিলিং থেকে ফিরেই যাতে তিনি নাটকটি পড়তে পারেন। দার্জিলিং থেকে ফেরাই হয়নি নিবেদিতার। এই 'তপোবল' নাটকটি গিরিশচন্দ্রে নিবেদিতাকে উৎসর্গ করে লিখেছিলেন,
*পবিত্রা নিবেদিতা,*
*বৎসে! তুমি আমার নূতন নাটক হইলে আমোদ করিতে। আমার নূতন নাটক অভিনীত হইতেছে, তুমি কোথায়? দার্জিলিং যাবার সময়, আমায় পীড়িত দেখিয়া স্নেহবাক্য বলিয়া গিয়াছিলে, 'আসিয়া যেন তোমায় দেখিতে পাই।' আমি ত' জীবিত রহিয়াছি, কেন বৎসে, দেখা করিতে আইস না? শুনিতে পাই, মৃত্যুশয্যায় আমায় স্মরণ করিয়াছিলে, যদি দেবকার্যে নিযুক্ত থাকিয়া এখনও আমায় তোমার স্মরণ থাকে, আমার অশ্রুপূর্ণ উপহার গ্রহণ কর।*
শ্রী গিরিশচন্দ্র ঘোষ।
প্রব্রাজিকা আত্মপ্রাণার লেখা থেকে জানতে পারি, দার্জিলিং যাত্রার আগে নিবেদিতা বাগবাজারে সারদা মায়ের বাড়িতেও গিয়েছিলেন। মা তখন জয়রামবাটি তে ছিলেন। যোগিন মা, গোলাপ মা এবং স্বামী সারদানন্দের সঙ্গে দেখা করে বিদায় নিয়ে আসেন নিবেদিতা। যোগিন মা কে প্রণাম করে নিবেদিতা বলেছিলেন, *যোগিন মা, আমি বোধহয় আর ফিরব না।* উদ্বিগ্ন হয়ে যোগীন মা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, *এ কথা বলছ কেন।* নিবেদিতা বলেছিলেন, *কী জানি যোগীন মা, আমার মনে হচ্ছে, এই বোধহয় শেষ।*
এই ঘটনাটি শুনলে এই ভাবনাই মনে আসে যে, নিবেদিতা কি সত্যি বুঝতে পেরেছিলেন, আর আয়ু বেশিদিন নেই। হয়তো তার শরীরের অবস্থা ভিতরে ভিতরে এতটাই খারাপ হয়ে পড়েছিল যে, বাইরে কাউকে কিছু প্রকাশ না করলেও, নিজে বুঝতে পারছিলেন অসুখের গুরুত্বটা।
সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে বসু দম্পতি এবং নিবেদিতা দার্জিলিংয়ে এসে পৌঁছিলেন। তারা পি. কে. রায়ের বাড়ি রায় ভিলায় উঠেছিলেন।
গিরিজাশঙ্কর রায়চৌধুরী লিখেছেন, *১৯১১ সেপ্টেম্বর -- জগদীশচন্দ্র বসু ও তদীয় পত্নী লেডি অবলা বসু,*
*ভগিনী নিবেদিতাকে তাঁহার নষ্ট স্বাস্থ্য উদ্ধারের জন্য দার্জিলিং যাইবার অনুরোধ করিলেন। নিবেদিতা বলিলেন, আপনারা আগে চলিয়া যান আমি পরে যাইতেছি।*
দার্জিলিংয়ে পৌঁছনোর পর প্রথম কয়েকদিন সকলের বেশ আনন্দেই কাটল। জগদীশচন্দ্র আগে দার্জিলিং পৌঁছে সিকিম যাওয়ার বন্দোবস্ত করে রেখেছিলেন। ঠিক করেছিলেন বারো হাজার ফুট উঁচুতে সান্দাকফু মন্দির দেখতে যাবেন সকলে মিলে। দুর্গম পথে ঘোড়ায় চড়ে এখানে যেতে হয়। দু-তিন দিন লাগে যেতে। নিবেদিতা জগদীশচন্দ্রের এই পরিকল্পনায় অত্যন্ত খুশি হয়েছিলেন। যাত্রার সবকিছু যখন ঠিকঠাক ; ঘোড়ায় জিন কষা হল, বিছানা বাঁধা হয়েছে, খাবার দাবার তৈরি। ঠিক যেন তীর্থযাত্রার আয়োজন। কিন্তু হটাৎ নিবেদিতা এত ক্লান্তি বোধ করতে লাগলেন যে পরদিন সকাল পর্যন্ত যাওয়া স্তগিত রাখতে হল। কঠিন অসুখ, রক্ত আমাশয়। নিবেদিতার শরীর আগে থেকেই খারাপ ছিল। হটাৎ এই অসুখ তাঁকে আরো কাহিল করে তুলল। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেন বসু দম্পতি।
সৌভাগ্যক্রমে ডাঃ নীলরতন সরকার তখন দার্জিলিংয়ে ছুটি কাটাচ্ছিলেন। সংবাদ পেয়ে তিনি এসে নিবেদিতাকে দেখলেন। নিয়মিত চিকিৎসা চলতে থাকে ডাঃ সরকারের তত্বাবধানে। কখনো একটু ভালো থাকেন। সবাই মনে করে হয়তো এবার সেরে উঠবেন। আবার দিন কয়েক পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তেরো দিন ভুগলেন নিবেদিতা। বাঁচাতে হলে তাঁকে নিচে নামিয়ে আনা দরকার। কিন্তু বড়ো দেরি হয়ে গেছে তখন। তবুও চেষ্টার ত্রুটি হল না।
নিবেদিতা বুঝতে পারছিলেন তাঁর জীবনদীপ নিভে আসছে। যে কাজ তিনি শেষ করে যেতে পারলেন না, তাঁর অবর্তমানে সেই কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সেই ভাবনায় অধীর তাঁর মন অসুস্থ অবস্থাতেই ৭ অক্টোবর, ১৯১১-- একটি উইল করলেন নিবেদিতা।
ওই উইলে নিবেদিতা ঘোষণা করলেন -- বোস্টনে তাঁর উকিল ই জি থর্প তাঁকে যা দেবেন, বেঙ্গল ব্যাঙ্কে তাঁর যে তিনশো পাউন্ড রয়েছে, সারা বুলের সম্পত্তিতে তাঁর যে সাতশো পাউন্ড রয়েছে, তাঁর সঙ্গে তাঁর বইয়ের বিক্রয়লব্ধ অর্থ এবং যাবতীয় গ্রন্থস্বত্ব তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের ট্র্যাস্টিদের দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর অর্থ একটি তহবিল করে তাঁরা জমা রাখবেন এবং সিস্টার ক্রিস্টিনের সঙ্গে পরামর্শ সাপেক্ষে জাতীয় শিক্ষা প্রসারের কাজে ব্যয় করবেন।
স্বামীজির মৃত্যুর পর রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন নিবেদিতা। জীবনের অন্তিম লগ্নে ক্রিস্টিনও নিবেদিতাকে ছেড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আরদ্ধ কাজ সম্পূর্ণ করার দায়িত্ব নিবেদিতা রামকৃষ্ণ মিশন এবং ক্রিস্টিনের ওপরই দিয়ে গিয়েছিলেন। এঁদের সঙ্গে তাঁর প্রাণের বন্ধন ছিন্ন হয়নি -- নিবেদিতার উইলটি তার প্রমাণ।
দার্জিলিং আসার কয়েকদিন আগে নিবেদিতা প্রাচীন বৌদ্ধধর্মের একটি কল্যাণবাণী ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। এটি মুদ্রিত করে বন্ধুদের ভিতর বিলিও করেছিলেন। এ সবই তাঁর বিদায়ের প্রস্তুতি ছিল কিনা কে জানে। দার্জিলিংয়ে রোগশয্যায় তিনি এটি পাঠ করে শোনাতে অনুরোধ করেন। তাও পাঠ করাও হয়।
লিজেল রেঁম লিখেছেন, *শেষ একটি আনন্দ বুঝি তোলা ছিল তাঁর জন্যে।*
*গণেন মহারাজ মঠের বাগান থেকে একঝুড়ি ফল নিয়ে হাজির হলেন। সাধুরা পাঠিয়েছেন। তাঁরা কিন্তু জানতেন না যে, নিবেদিতা অসুস্থ এবং যাওয়ার আগে এমনি কিছু প্রত্যাশায় আছেন। এ ফল যে নিবেদিতার কাছে যাবার বেলায় গুরুর প্রসাদ। সামর্থ্য থাকতে থাকতে বন্ধুদের সবাইকে নিয়ে আর একবার নিবেদিতা আনন্দ করে ফল খেয়ে নিতে চাইলেন।*
*তরুণ ছাত্র বশী সেন সেখানে ছিলেন। নিবেদিতা খোকা র হাতে বশীকে সঁপে দিলেন। বিকাল পর্যন্ত সবাইকে উৎসাহ দিয়ে সান্ত্বনা দিয়ে কথা বললেন।*
অসুস্থ নিবেদিতার শয্যাপার্শ্বে বসে জগদীশচন্দ্র রোজ নিবেদিতার পছন্দমতো কিছু পাঠ করে শোনাতেন। নিবেদিতার প্রয়াণের আগের দিন সন্ধ্যাবেলাও জগদীশচন্দ্র পাঠ করে শোনাচ্ছিলেন। কিন্তু নিবেদিতা আবেগতাড়িত হয়ে পড়বেন ভেবে কিছু অংশ বাদ দিয়ে পাঠ করছিলেন। নিবেদিতা বুঝতে পারেন। এবং জগদীশচন্দ্রকে কোন অংশ বাদ না দিয়ে পড়তে বলেন।
*সবাই শান্ত হলে নিবেদিতা উচ্চারণ করলেন প্রাণের প্রার্থনাটিঃ*
*অসতো মা সদ্গময়,*
*তমসো মা জ্যোতির্গময়,*
*মৃত্যোর্মামৃতং গময়*...*
*রাত হয়ে এল। নিবেদিতা তলিয়ে গেলেন, আর কথা কইলেন না। এই যে শিবশঙ্কর আর দেরি নাই....*
*নিবেদিতার বিছানা ঘিরে দাঁড়ান সবাই। একজন নিচুঁ হয়ে শোনেন, নিবেদিতা অস্ফূটে বলছেন, তরী ডুবছে... কিন্তু... আবার দেখব, সূর্য উঠছে....*
*১৩ অক্টোবর, ১৯১১, ভোরবেলা শান্তভাবে চলে গেলেন নিবেদিতা।*
মুক্তিপ্রাণা মাতাজির লেখা থেকে, *১৩ অক্টোবর (১৯১১) শুক্রবার, প্রভাতে মেঘ সরিয়া গেল, পর্বত-শিখরের ঊর্দ্ধে উদার, অনন্ত আকাশ যেন প্রসন্ন দৃষ্টি মেলিয়া চাহিয়া রহিল। নিবেদিতার শয্যাপার্শ্বে উপবিষ্টা অবলা বসুর মনে পড়িল উমা-হৈমবতীর উপাখ্যান, যাহা নিবেদিতা তাঁহাদের নিকট একসময় জ্বলন্তভাবে বর্ণনা করিয়াছিলেন। তাঁহার মনে হইল, এই শরৎ ঋতুতেই উমা পিত্রালয়ে আসিয়াছিলেন, এখানেও আর এক উমা, হিমপ্রধান দেশের দুহিতা, দীর্ঘ বিচ্ছেদের অবসানে আবার ফিরিয়া আসিয়াছেন তাঁহার স্বীয় আবাস ভারতবর্ষে। সকাল সাতটার সময় সহসা নিবেদিতার মুখমণ্ডল দিব্যজ্যোতিতে উদ্ভাসিত হইয়া উঠিল। অস্ফুট মৃদুস্বরে তিনি বলিলেন, ’The boat is sinking, But I shall see the sunrise’*
*তরণী ডুবছে, আমি কিন্তু সূর্যোদয় দেখব।*
নিবেদিতার মহাপ্রয়াণের সংবাদ দার্জিলিং শহরে ছড়িয়ে পড়াতে রায় ভিলায় মানুষের ভিড় উপচে পড়ল। ওই সময় ছুটি কাটাতে অনেকেই দার্জিলিংয়ে গিয়েছিলেন। নিবেদিতা তাঁদের সকলের কাছেই ছিলেন শ্রদ্ধার পাত্রী। তাঁরা সকলেই রায় ভিলায় উপস্থিত হলেন। এঁদের ভিতর ছিলেন প্রফুল্লচন্দ্র রায়, ডা. নীলরতন সরকার, শশিভূষণ দত্ত, সুবোধচন্দ্র মহলানবিশ, ডা. বিপিনবিহারী সরকার, যোগেন্দ্রনাথ বসু, শৈলেন্দ্রনাথ ব্যানার্জ্জি, ইন্দ্রভূষণ সেন, পি এডবার, মিস পিগট, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, মৃগেন্দ্রলাল মিত্র, বশীশ্বর সেন, রাজেন্দ্রনাথ দে এবং আরো বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বেলা দুটোর সময় রায় ভিলা থেকে শেষ যাত্রা শুরু হল শ্মশানের উদ্দেশে।
মুক্তিপ্রাণা মাতাজি লিখেছেন, *শোকযাত্রা যখন কার্ট রোডে পৌঁছিল, তখন জনতা বিপুল আকার ধারণ করিল। শবদেহের অনুগমনে এরূপ শোভাযাত্রা দার্জিলিং শহরে এই প্রথম। বাজারের মধ্যে দিয়া হিন্দু শ্মশানভূমির নিকট যাইবার সময় সকলেই পথের দুই পার্শ্বে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াইয়া মস্তক নত করিয়া শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করিল। মৃতদেহ বহন করিবার জন্য অনেকের মধ্যেই আগ্রহ দেখা যাইতেছিল।*
*বেলা ৪টার সময় সকলে শ্মশানে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। যথাযথ ভাবে চিতাশয্যা রচিত হইল। মৃতদেহের মস্তক ও মুখ পবিত্র গঙ্গাজলে ধৌত করিয়া, সর্বাঙ্গে গঙ্গাবারি সিঞ্চন করিবার পর উচ্চ 'হরিবোল' ধ্বনির সহিত উত্তর শিয়র করিয়া উহা চিতার উপর স্থাপিত হইল; তখন ৪-১৫ মিঃ।*
*রামকৃষ্ণ মিশন হইতে ব্রহ্মচারী গণেন্দ্রনাথ অসুস্থতার সংবাদ পাইয়া শেষ সময়ে আসিয়া পৌঁছিয়াছিলেন। তিনিই মুখাগ্নি-ক্রিয়া সম্পন্ন করিলেন। চিতা জ্বলিয়া উঠিল। ধীরে ধীরে নশ্বর দেহ ভস্মীভূত হইয়া গেল। চিতাগ্নি নির্বাপিত হইবার পর রাত্রি ৮টার সময় চিতাভষ্ম সংগ্রহ করিয়া সকলে অশ্রুরুদ্ধ চক্ষে ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে নীরবে প্রত্যাবর্তন করিলেন।*
হিমালয়ের নির্জন ক্রোড়ে, শ্মশান-প্রান্তরে ঐ পবিত্র ভূমির উপর নির্মিত নিবেদিতার স্মৃতি স্তম্ভটি ঘোষণা করিতেছেঃ *এখানে ভগিনী নিবেদিতা শান্তিতে নিদ্রিত -- যিনি ভারতবর্ষকে তাঁহার সর্বস্ব অর্পণ করিয়াছিলেন।*
গতকাল রাতে বেনারস থেকে ফিরেছি।
Good morning with prayer.....
Comments