সেদিন পেলাম প্রাণের স্পন্দন,
রাত কি দিন.. জানিনা।
বুঝলাম,
আমি কিছু কোষের সমষ্টি মাত্র।
আমার অবস্থানের
চারপাশে অনেক পর্দা।
ধমনী - শিরা - জালক - অস্হি - মজ্জার
মিলিত এক প্রয়াসে
আমার অদ্ভুত অবয়ব।
কোষে কোষে বহুধা বিস্তৃত,
প্রতিটি স্পন্দনে সংহতি,
বেঁচে থাকার লড়াই,
আর ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।
অনিশ্চয়তা নয়, আবেগ দ্বন্দ্বহীন
নতুন চোখে এ যেন নিজেকেই সন্ধান।
বেঁচে থাকার তাগিদে অবাক হয়ে দেখি
মানুষের হিংসা আর লোভের বিকৃত থাবা,
দাঁত - নখ সর্বস্ব অস্তিত্ব দখলের লড়াই।
নিঃশ্বাস রুদ্ধ হয়, স্তব্ধ হয় স্পন্দন।
বাতাসে বয়ে আসে মাদকতা,
চেনা দেহের উপরে অচেনা ঘ্রাণ,
শুধু অনুভূতি অবাক বিস্ময়ে জেগে থাকে
তারা খসার চরম প্রতীক্ষায়।
মহায়ণ
মহায়ণ ****** পান্ডবদের নগর রাজ্য হস্তিনাপুরে রাক্ষসেরা সুখে সেথায় বলাৎকার করে। তাহাদের অস্ত্রাগুরু দ্রোনাচার্য বুড়ো বালেতে মশলা মাখে কুকমীর গুঁড়ো। আকাশের প্রেক্ষাপটে ...
Comments