'বিচি' ত্র চিত্র কথা
'বিচি' ত্র চিত্র কথা ( সংগৃহিত )
-----------------------
শুন শুন গৌড়বাসী শুন দিয়া মন
বারেন্দ্র ভূমি দপ্তর কথা করিব বর্ণন
( সকলে সমস্বরে - "আহা করিব বর্ণন" )
দপ্তরটি ভূতের বাড়ি দেখি লাগে ভয়
কড়িকাঠে কলম খসে প্রাণে সংশয়
( সকলে সমস্বরে - "আহা প্রাণে সংশয়" )
দপ্তরের বড়ো সাহেব সদাশয় মতি
সাঁঝবাতি জ্বলি গেলেই পানে উদার অতি
( সকলে সমস্বরে - "আহা পানে উদার মতি" )
সিগারেটে প্রদীপ জ্বলে সলতে রোজ খালি
চিত্রগুপ্ত খাতায় লেখা লক্ষীর পাঁচালি
( সকলে সমস্বরে - "আহা লক্ষীর পাঁচালি" )
আর আছেন এক "কুরুম" নাম না কহিব
চশমা আঁটা বুড়োভাম শিয়াল বলিব
( সকলে সমস্বরে - "আহা শিয়াল বলিব" )
আজন্ম আজীবন গৌড় বাসী তিনি
ঘরের খেয়ে আপিস করেন চা এ নেই চিনি
( সকলে সমস্বরে - "আহা চা এ নেই চিনি" )
চাকরি আর পদোন্নতি কোটার কোটায়
ফেভি কুইকে কাটেন বদলি তেলের জমানায়
( সকলে সমস্বরে - "আহা তেলের জমানায়" )
খেয়ে দেয়ে কাজ নেই শুধু আঙলিবাজি
খুঁচিয়ে ঘা ভালোবাসেন ধড়িবাজ পাজী
( সকলে সমস্বরে - "মহা ধড়িবাজ পাজী" )
নিজে যখন ব্লকে ছিলেন বাঁধতেন আঁটি
উপরতলায় তেল দিতেন ঘানির সরষে খাঁটি
( সকলে সমস্বরে - "আহা বাঁধতেন আঁটি" )
কলিকালে সব চলে, চলে অপগন্ড
একটা চিঠি লিখতে বসে শব্দ লন্ডভন্ড
( সকলে সমস্বরে - "আহা শব্দ লন্ডভন্ড" )
এরাই আছেন দপ্তর জুড়ে এরাই শেয়াল রাজা
আমরা শুধু রাম খাবো সাথে অন্ড ভাজা
( সকলে সমস্বরে - "সাথে অন্ড ভাজা" )
ব্লক মানে বাঁশঝাড় এ কাকে বোঝাই
দিনভর কাজ করে সাঁঝে বারে যাই
( সকলে সমস্বরে - "সাঁঝে বারে যাই" )
তিন বছর কেটে গেলো ব্লকে চরে চরে
মূল্যায়নের সময় হলো এবার ফিরবো ঘরে
( সকলে সমস্বরে - "এবার ফিরবো ঘরে" )
Comments