লিঙ্গ নিয়ে দু-চারটি কথা
লিঙ্গের আকার বা এর গঠন বংশগত হয়ে থাকে। প্রায়অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পাথ্যর্ক দেখা যায়।
আমাদের দেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বচ্চো ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক)এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেকছোট লিঙ্গ দেখা যায়। ঔষধ শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।
ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল। ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় – তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা – এমনকি এখনো এ রকম কোন পদ্ধতি আবিষ্কার-ই হয়নি!”।
তবে হে এর জন্য একটি ভালো ব্যায়াম আছে যা নিয়মিত করলে আপনার লিঙ্গের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করবে এবং আপনারলিঙ্গকে মোটা এবং লম্ববা করবে। এই পদ্ধতিটি (এই লিঙ্ক থেকে দেখে নিতে পারেন) এখানে এই বিষয়ে বিশাদ ভাবেবলা আছে আসা করি আপনার এই সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে। ধন্যবাদ ।
*************
পুরুষাঙ্গ বড় হওয়া নির্ভর করে এতে রক্তের চাপকেমন থাকে । corpora cavernosa নামের পাইপ সদৃশ গহবর টিতে কি পরিমাণ রক্ত এসে চাপ সৃষ্টি করে সেটাই পুরুষাঙ্গের বিশালত্ব এবং ক্ষুদ্রত্ব নিয়ন্ত্রক । পুরুষাঙ্গ একটি মাংসপেশি । অন্য সব মাংসপেশি যেমন ব্যায়াম করলে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় তেমনি এটাও ব্যায়ামের মাধ্যমে বাড়াতে হবে । আর ব্যায়াম চালু না রাখলে যেমনমাংসপেশি শুকিয়ে যায় তেমন এটাও কমে যাবে ।
পুরুষাঙ্গ বড় করার ৩টি প্রাকৃতিক উপায়
কিছু কিছু পেনাইল সার্জারির প্রচলন বিদেশে আছে ।তবে তা স্থায়ী কোনকিছু নয় । পেনিস পাম্প এর প্রচলন ও আছে । কিন্তু ব্যায়ামের চেয়ে ভাল কিছু আর নেই ।ব্যায়ামের প্রসঙ্গে আসি…
৩ ধরনের ব্যায়াম আছে। এগুলো হলো:
১. শেকিং
২.জেল্কিং
৩.স্ট্রেচিং
শেকিংঃ
১.প্রথমে আপনার পেনিস টাকে গোড়ার দিকে দুই আঙ্গুলে ধরুন (শিথিল অবস্থায়)
২.এরপর সেটাকে আস্তে আস্তে ঝাঁকাতে শুরু করুন
৩.আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বাড়ান
৪.এভাবে একটানা ২০০-২৫০ বার ঝাঁকান
৫.মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে
৬.ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময়দিন
৭.তারপর আবার করুন
৮.এভাবে দিনে দুইবার করুন
৯. এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে ।ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন না
১০. এটা করার সময় যদি হস্তমৈথুন করেন তাহলে ব্যায়াম করা আর না করা সমান কথা ।
১১. যদি ২০০-২৫০ বারের আগেই বীর্য বেরিয়ে যেতে চায়
তাহলে থামুন ।উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন
১২. এটা করলেআপনার পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন আশাতীত ভাবে বাড়বে ।
১৩. একটু কষ্ট করে হলেও এক্সারসাইজ চালু রাখুন । বাদ দেবেন না ।
জেল্কিং
১.প্রথমে পেনিস কে পানিতে ধুয়ে নিনএবং মুছে ফেলুন ।
২.এরপর খানিকটা ক্রিম বা জেল জাতীয় পিচ্ছিল জিনিস, (তেল জাতীয় জিনিস হলেও হবে) যোগাড় করুন ।
৩. এটি পেনিসে ভালভাবে মাখান (শিথিল অবস্থায়)
৪. এবার বুড়ো আঙ্গুল এবংতর্জনীর সাহায্যে ”ok” সাইন এর মত করুন
৫.এবার এই ””ok” সাইন দিয়ে পেনিসের গোড়া ধরুন( একটু জোরে চেপে ধরতে হবে)
৬. এবার আস্তে আস্তে ভেতর থেকে বাইরের দিকে মর্দন করুন
৭. জিনিসটা অনেকটাই হস্তমৈথুনের মতই। কিন্তু খেয়াল রাখবেন এটা শুধু পেনিসের গোঁড়া থেকে অগ্রভাগের দিকে । উল্টা দিকে করবেন না ।
৮.এভাবে ৩০-৪০ বার করুন । দিনে দুইবার ।
৯. এটি করার সময় আপনি নিজেই টের পাবেন যে আপনার লিঙ্গমুণ্ডে রক্তের চাপ বাড়ছে ।
১০.মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে
১১.ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন
১২. এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে । ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন না
১৩. এটা করার সময় যদি হস্তমৈথুন করেন তাহলে ব্যায়াম করা আর না করা সমান কথা ।
১৪.. যদি ৩০-৪০ বারের আগেইবীর্য বেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন ।উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন
১৫. এটি করার সময় লিঙ্গমুণ্ডে সামান্য সাময়িক ব্যাথা বোধ হতে পারে । এছাড়াআপনি দেখবেন লিঙ্গমুণ্ডকে লাল হয়ে ফুলে উঠতে । রক্তের চাপের কারনে এমন হয়।
স্ট্রেচিং
১. প্রথমে লিঙ্গমুণ্ড পাঁচ আঙ্গুলে সামনে থেকে চেপে ধরুন
২. এবার এটাকে সামনেরদিকে টেনে ধরুন
৩. এমনভাবে ধরে রাখুন যাতে পিছলে না যায়
৪. এভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে রাখুন
৫. ২০ সেকেন্ড পর ছেড়ে দিন
৬. এভাবে একটানা ২০ বার করুন (দিনে ২বার)
৭.মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে
৮.ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন
৯.তারপর আবার করুন
১০.এর ফলে ধীরে ধীরে আপনার পুরুষাঙ্গ দীর্ঘতায় বাড়বে যে তিনটি ব্যায়ামের কথা বলা হয়েছে সেগুলো একত্রে প্রতিদিন দুইবার করে করুন । একসাথে নাকরলে লাভের সম্ভাবনা কম । এক্সারসাইজের সময় হস্তমৈথুন করবেন না প্লিজ ।হস্তমৈথুন করলে ব্যায়াম করার কোন দরকার ই নাই । কারন তাতে কোন লাভ হবেনা।
**************
যাদের লিংগ চিকন বা ছোট তাদের জন্য ____
পদ্ধতিটিতে গোড়া থেকে আগার দিকে গিয়ে লিঙ্গের মাথায় গিয়ে কিছুক্ষন (৬/৭ সেকেন্ড) চেপে ধরে রাখতে হবে
১. টয়লেট কিংবা আপনার নিজের রুমের দরজা ভাল করে বন্ধ করে চেয়ার কিংবা চৌকিতে পা ঝুলিয়ে বসুন। অর্থাৎ এমন স্থানে বসবেন না যেখানে সবসময় মনে হবে কেউ এসে যাচ্ছে অথবা দেখে ফেলছে।
২. পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)।
৩. এবার দুই হাতে হালকা সরিষার তেল কিংবা পার্সোনাল লুব (ঔষধের দোকানে পাওয়া যাবে) লাগিয়ে নিন।
৪. আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়। এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাতসঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোনফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবেগোড়া থেকে আগার দিকে হাত চালাই)।
৫. লিঙ্গেরআগার কাছাকছি হাত পৌছালে লিঙ্গকে কিছুক্ষন চেপে ধরেরাখুন। তারপর ডান হাত ছেড়ে দিয়ে বাম হাত একই ভাবেগোড়া থেকে শুরু করে আগার দিকে নিয়ে যান। এবং এই হাতটিও কিছুক্ষনের জন্য অগ্রভাগে ধরে রাখুন। এক হাতেরএকবার করে সঞ্চালন করাকে আমরা এক রিপিট গননা করবো।
৬. ব্যায়ামটি প্রতিদিন ৪০ বার রিপিট করবেন।
ব্যায়াম চলাকালীন হস্তমৈথুন করবেন না ।তাহলে কিন্তু ব্যায়াম করে লাভ নেই ।
*************
হস্তমৈথনের কারনে লিঙ্গ ছোট হলে সেটা মোটা করার জন্য কি কি উপায় অবলম্বন করা উচিৎ?
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে লিঙ্গ ছোট দূর্বল এগুলো হয়ত অাপনার ভুল ধারনা। এখন থেকে সচেতন হউন, হস্তমৈথুন কমিয়ে দিন। মনে রাখবেন পুর্ণ তৃপ্তির জন্য লিঙ্গ 4″-5″ইঞ্চিই যথেষ্ট। নিয়ম মেনে পুষ্টিকর খাবার খান, প্রচুর সব্জি, ফল খান অার প্রচুর পানি পান করুন। প্রতিদিন 2চামচ খাটি মধু হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নিয়মিত পান করুন।
প্রথমেই আপনার হস্তমৈথুন হতে বিরত থাকিতে হবে। হস্তমৈথুন বন্ধ করে পুষ্টিকর খাবার খান দেখবেন আস্তে আস্তে দুর্বলতা কেটে গেছে।
আপনি বলেছেনআপনার লিঙ্গটি খুব ছোট। উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। এটা ভৌগলিক অবস্থান ভেদে বিভিন্ন দেশের পুরুষদের আবার বিভিন্ন আকারের হয়।
কিন্তু আপনার লিঙ্গ বা পেনিস যদি লম্বায় সর্বনিম্ন 4 (চার) ইঞ্চিও হয়ে থাকে তাহলেও আপনার স্ত্রীকে তৃপ্তি দেয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে ৩ ইঞ্চি পেনিস দিয়েও স্ত্রীকে আনন্দ দেয়া সম্ভব যদি সে যৌন মিলনের নানা কলা কৌশল আয়ত্ত করতে পারে।
কারণ একটা Successfulসেক্সুয়াল Intercourse শুধু মাত্র পেনিসের আকারের উপর নির্ভর করে না, এর জন্য আপনাকে যৌন মিলনের নানা কলা কৌশল রপ্ত করা উচিত। মনে রাখবেন নারীদের যৌনাঙ্গেএক প্রকার খাজ কাটা থাকে যাতে ঘসা লাগলে তারা আনন্দপায়। তার জন্য মাত্র ১০-১২ বছরের ছেলেদের লিঙ্গ দিয়েও তাদের আনন্দ দেয়া সম্ভব।
*************
ছেলেদের পেনিস/লিঙ্গ সুন্দর ও বড় করা সহজ উপায়…
আমাদের দেশের অবিবাহিত তরুণ-যুবকরা যে বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা করে সেটা হলো তাদের পেনিস।প্রায় হাজার খানেক হবে যেখানে পেশেন্টরা একটা অভিযোগই আমাদের করেছেন যে তাদের পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এবং এটা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ। তাই আজ ভেবেছি এইবিষয়টা নিয়া লিখব এবং প্রকৃত সত্যটা অবিবাহিত তরুণ সমাজের কাছে তুলে ধরব যেন তার ভবিষ্যতে এটা নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়। পুরুষাঙ্গ নিয়ে আপনার মনে এপর্যন্তযত প্রকার বদ্ধমূল ধারণা তৈরী হয়েছে সবগুলিকেই মন থেকে মুছে ফেলুন এবং নিচের বিষয় গুলি মনোযোগ দিয়া স্মরণ রাখার চেষ্টা করুন।
পেনিস বা পুরুষাঙ্গ বিষয়ক তথ্যাদি :-
• উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি।
• তবে আপনার পেনিস যদি লম্বার সর্বনিম্ন ৪ (চার) ইঞ্চিওহয়ে থাকে তাহলেও আপনার স্ত্রীকে তৃপ্তি দিতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না। অনেক বিশেষজ্ঞরা আবার এও বলে থাকেন স্ত্রীকে অরগাজম দিতে মাত্র ৩ ইঞ্চি লম্বা পেনিসহলেই যথেষ্ট।
• বড় পেনিস মানেই বেশি আনন্দ,কথাটা ঠিক নয় । আপনার ডিউরেশন কত সেটাই হলো মূল বিষয়। স্বাভাবিক টাইম ৭-১০ মিনিট।
• পেনিস কখনই একেবারে সোজা হয়না । একটু বাকা থাকেই ।
• পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় । স্কুল জীবন থেকেই রাস্তাঘাটের তথাকথিত হার্বাল, কবিরাজ এবং ভেষজ ডাক্তারদের বিভ্রান্তিকর লেকচার শুনতে শুনতে অনেকের মধ্যেই এ বিষয়ে একটা বদ্ধমূল ভূল ধারণা তৈরি হয়ে আছে ।
• কোন যাদুকরী তেল বা মালিশ পেনিস তেমন বড় করতে সক্ষম নয় । এগুলা ভুয়া । তবে পেনিসের স্নায়ুতন্ত্র সতেজ রাখার বা করার জন্য মালিশ বা ম্যাসেজ ব্যবহার করতে পারেন আমরা যেমন শরীরের ত্বক সতেজ রাখার জন্য সরিষার তেল বা অনান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি।
বর্তমানকার দিনে অনেক পুরুষের যৌন জীবন ততোটা সুখকর নয়। এর প্রধান কারণ নিজের মনের দুর্বলতা, অবৈধ যৌনজীবন চর্চা এবং পর্যাপ্ত খাদ্য খাবারের ঘাটতি। আজআপনার ডক্টরের আর্টিকেল যে খাবার খেলে পুরুষের লিঙ্গ মোটা ও শক্ত হয় তার উপর। চলুন শুরু করা যাক।
দুধ
বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক
আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অ্যাসপারাগাস
আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিত। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরুকরুন।
কলিজা
অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এরকারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্যকরে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটিহরমোন।
ডিম
ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সবভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিকচাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায়একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবংযৌন ক্ষমতা (testosterone) বৃদ্ধি পাবে।
রঙিনফল
যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমেরগবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।
*************
আমাদের দেশের মানুষের যৌনতা এবং এ সম্পর্কিত অঙ্গ নিয়ে জ্ঞান অনেক কম। আজকে এ বিষয়ে অর্থাৎ লিঙ্গ নিয়ে কিছু লিখব ।
আমাদের দেশের ১৫ - ২৫ বছরের ছেলে দের মাঝে মাঝে বলতে শোনা যায় আমার লিঙ্গ ৪ ইঞ্চি , আমার লিঙ্গ বাঁকা , আমার লিঙ্গ মোটা , লিঙ্গের সঠিক মাপ কত, লিঙ্গ কিভাবে বড় করা যায় ইত্যাদি সমস্যা।
যাই হোক কাজের কথায় আসি। আসলে স্বাভাবিক ভাবে লিঙ্গের সাইজ হচ্ছে ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি ধরা হয়।কিন্তু আমাদের উপমহাদেশের মানুষের দেহের আকৃতি একটু ছোট হওয়াতে স্বাভাবিক লিঙ্গের সাইজ টাকে একটু ছোট ধরা হয়ে থাকে।আর এ সাইজ টা হল ৪.৫-৫.২।
তবে লিঙ্গ ৩ ইঞ্চি এর ছোট হলে সেটাকে সমস্যা বলে ধরা হয়। লিঙ্গ ৩ ইঞ্চি এরবড় হলে এবং অন্য সব কিছু ঠিক থাকলে স্বাভাবিক যৌন জীবন উপভোগ করা সম্ভব। আর যৌন জীবন টাকে আনন্দ ঘন করার জন্য বড় লিঙ্গের চেয়ে মোটা লিঙ্গ অনেক টা গুরুত্ব পূর্ণ। কারন লিঙ্গ যোনির চার পাশে ঘর্ষণ এর ফলে যৌন আবেগ তৈরি হয় আর বড় লিঙ্গ অনেক সময় সহপাঠির জরায়ুতে আঘাত করে এতে সে বাথা পায় যা যৌন সুখ লাভে সমস্যা করে।
আবার অনেকে তাদের লিঙ্গ বাঁকা নিয়ে সমস্যায় থাকেন।কিন্তু এটা আসলে কোন সমস্যা না। যৌন জীবনে এর কোন প্রভাব পরে না । আর সব চেয়ে বড় বিষয় বেশির ভাগ মানুষের লিঙ্গ কম বেশি কোন না কোন দিকে বাঁকা। তবে সমস্যা হচ্ছে এটা যদি কোন আঘাত এর কারনে হয় তা হলে ডঃ এর পরামর্শ নেওয়া ভাল।
আবার অনেকে মনে করেন লিঙ্গ মনে হয় কোন মাধ্যমে বড় করা যায়। বিভিন্ন কম্পানি বিভিন্ন ধরনের পণের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে আসলে এগুলো কোন কাজের না। তবে কিছু ব্যাম আছে যে গুলো করলে একটু বাড়ে সেটা নিয়ে পরে একটা বিস্তারিতপোস্ট করবো। যাই হোক আমাদের মধ্যে এই বিষয় গুলো নিয়ে জ্ঞান এর অভাব থাকায় আমরা সব সময় চিন্তা করি এবং রাস্তার পাশের হকার দের সব কথা আমাদের মনের মধ্যেভয় বসিয়ে দেয়। এর পর আমরা যখন তার কাছ থেকে কোন কিছু কিনে খাই তখন থেকেই আমাদের সমস্যা সমাধান না হয়ে শুরু হয়। সুতরাং এই বিষয় গুলো থেকে সব সময় সাবধান থাকতে হবে।
**********
মধু ব্যবহারে পুরুষের লিঙ্গ শক্ত এবং মোটা হয়
মধু একটি খুব উপকারী খাদ্য, পন্য ও ঔষধ। জন্মের পর নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে,মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য চর্চা সহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক।
আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যার জনক নামে পরিচিত হিপ্পোক্রেটস শরীরের প্রদাহ ও সিফিলিস রোগের চিকিৎসায় মধু ব্যবহার করতেন বলে কথিত আছে। ২ হাজার বছরআগেও যখন চিকিৎসা বিজ্ঞান আজকের মতো এতটা উন্নত ছিলনা, তখনও মানুষ জানত মধুর কি গুণ! গ্রিক অ্যাথলেটরাঅলিম্পিকে অংশ গ্রহণের আগে প্রচুর পরিমাণ মধু সেবন করত শক্তি বাড়ানোর জন্য। তাদের ধারণা ছিল, মধু খেলেতাদের পারফরমেন্সের উন্নতি হবে। কারণ মধুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ যা যকৃতে গ্রাইকোজেনের রিজার্ভ (যে ফর্মে গ্লুকোজ লিভারে সঞ্চিত হয়) গড়ে তোলে।
মধুতে প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য পুরাতন মধু লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়…… বিশ্বাস না হলে ট্রাই করেদেখুন।
পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন মধু দিয়ে মালিশ করলে,পুরুষাঙ্গ শক্ত,মোটা হতে পারে।
আসলে লিংগ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ততৈরি হয়নি। আপনি যদি লিংগ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদ ডেকে আনতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।
**************
পেনিস খুবই ছোট এবং চিকন,এটা সহজে বড় এবং মজবুত ও মোটা করার উপায় ____
পেনিস খুবই ছোট এবং চিকন,এটা সহজে বড় এবং মজবুত ও মোটা করার উপায়
কোনো ব্যায়াম বা যাদুকরি মালিশ পেনিসের আকার পরিবর্তন করতে পারেনা। সার্জারির মাধ্যমে পেনিস বড় করা যায়, কিন্তু সেটা অনেক ব্যয়বহুল ব্যাপার। আসলে তিন ইঞ্চি পরিমাণ লম্বালিঙ্গই সুস্হ্য সেক্স লাইফের জন্য যথেষ্ঠ, যদি অন্যকোনও শারীরিক সমস্যা না থাকে। সব সময় হাসি-খুশি থাকুন, নিজের উপর আস্হা রাখুন।
প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার এখন পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। তবেএটা সত্য যে – বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের কোনটিই কার্যকর হয়না। বরং এরকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষই লিঙ্গত্থান সমস্যাসহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
প্রায়অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। চিকিত্সা শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে পেনিস ৪(চার) ইঞ্চি হলেই স্ত্রীকে অর্গাজন দিতে কোনো প্রকার অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।
লিঙ্গের আকার বা এর গঠন বংশগত হয়ে থাকে। প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পাথ্যর্ক দেখা যায়।
আমাদের দেশতথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বচ্চো ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। ঔষধ শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।
ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল। ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় – তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা – এমনকি এখনো এ রকম কোন পদ্ধতি আবিষ্কার-ই হয়নি!”।
তবে হে এর জন্য একটি ভালো ব্যায়াম আছে যা নিয়মিত করলে আপনার লিঙ্গের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করবে এবং আপনার লিঙ্গকে মোটা এবং লম্ববা করবে। এই পদ্ধতিটি (এই লিঙ্কথেকে দেখে নিতে পারেন) এখানে এই বিষয়ে বিশাদ ভাবে বলা আছে আসা করি আপনার এই সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে
***********
জেনে নিন মেয়েদের অপছন্দের পুরুষ কারা !
অনলাইন ডেস্ক: বিশেষ কিছু আচরণ বা বৈশিষ্ট্যের কারণেকিছু পুরুষকে মেয়েরা কখনোই পছন্দ করেন না। নিজেদেরস্মার্ট ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ভাবলেও মেয়েরা কিন্তুতাঁদের এড়িয়ে চলেন।
একটা সময় জীবনসঙ্গী বাছাই করার ক্ষেত্রে মেয়েদের পছন্দের কোনও মূল্য ছিল না। কিন্তু বর্তমানে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মহিলাদের পছন্দকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় ও তা উচিতও। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নারীর যেমন পছন্দ রয়েছে, তেমনি অপছন্দ রয়েছে। জেনে নিন মেয়েদের অপছন্দের পুরুষ কারা।
নারী বিদ্বেষী: নারী বিদ্বেষী পুরুষদেরকেমহিলারা পছন্দ করেন না। যে পুরুষ সারাক্ষণ মহিলা সহকর্মী, বান্ধুবী, কিংবা নিকট নারী আত্মীয় সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন, মহিলাদের পোশাক এমনকী চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেন সেসব পুরুষ থেকে মেয়েরা দূরে থাকতে পছন্দ করেন।
ছিঁচ কাঁদুনে: কিছু কিছু পুরুষ আছেন প্রেমিকা একটু দেরিতে ফোন ধরলেই কেঁদে ভাসিয়ে ফেলেন। এসব ছিঁচ কাঁদুনে পুরুষদেরকে মহিলারা মোটেওপছন্দ করেন না।
হাড় কিপ্টে: হাড় কিপ্টে পুরুষদেরকোটি টাকা থাকলেও তাঁরা বন্ধু-বান্ধুবীর সঙ্গে রেষ্টুরেন্টে খেতে গিয়ে এক কাপ চায়ের বিল দিতে চায় না। হাড় কিপ্টে পুরুষদের পকেট থেকে টাকা বের করে আনা কষ্টকর ব্যপার। এসব পুরুষদের কাছ থেকে মেয়েরা দশ হাত দূরে থাকতে চায়।
অতিরিক্ত মা ঘেষা: নিজের মাকে যে পুরুষ শ্রদ্ধা করেন, সে অন্য নারীকেও শ্রদ্ধা করেন। মাকে ভালোবাসেন এমন পুরুষ নারীর পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু কিছু কিছু পুরুষ আছেন যারা মাকে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি করেন, মায়ের কথা ছাড়া এক ইঞ্চি জায়গা নড়াচড়া পর্যন্ত করেন না, সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারেঅপছন্দ করেন।
**************
যাদের লিঙ্গ ছোট তাদের জন্য সুখবরঃ পুরুষাঙ্গ বড় করার নতুন কৌশল আবিষ্কার !
পুরুষাঙ্গ বড় হওয়ানির্ভর করে এতে রক্তের চাপ কেমন থাকে । নামের পাইপ সদৃশ গহবর টিতে কি পরিমাণ রক্ত এসে চাপ সৃষ্টি করে সেটাই পুরুষাঙ্গের বিশালত্ব এবং ক্ষুদ্রত্ব নিয়ন্ত্রক ।পুরুষাঙ্গ একটি মাংসপেশি । অন্য সব মাংসপেশি যেমনব্যায়াম করলে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় তেমনি এটাও ব্যায়ামের মাধ্যমে বাড়াতে হবে । আর ব্যায়াম চালু না রাখলে যেমন মাংসপেশি শুকিয়ে যায় তেমন এটাও কমে যাবে ।কিছু কিছু পেনাইল সার্জারির প্রচলন বিদেশে আছে । তবেতা স্থায়ী কোনকিছু নয় । পেনিস পাম্প এর প্রচলন ও আছে । কিন্তু
ব্যায়ামের চেয়ে ভাল কিছু আর নেই ।ব্যায়ামের প্রসঙ্গে আসি তিন ধরনের ব্যায়াম আছে ।
১. শেকিং
২.জেল্কিং
৩.স্ট্রেচিং বর্ণনা
শেকিংঃ
১.প্রথমে আপনার পেনিস টাকে গোড়ার দিকে দুই আঙ্গুলে ধরুন (শিথিল অবস্থায়)
২.এরপর সেটাকে আস্তে আস্তে ঝাঁকাতে শুরু করুন
৩.আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বাড়ান
৪.এভাবে একটানা ২০০-২৫০ বার ঝাঁকান
৫.মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে
৬.ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ারজন্য কিছু সময় দিন
৭.তারপর আবার করুন
৮.এভাবে দিনে দুইবার করুন
৯. এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে । ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন না
১০. এটা করার সময় যদি হস্তমৈথুন করেন তাহলে ব্যায়াম করা আর না করা সমান কথা ।
১১. যদি ২০০-২৫০ বারের আগেই বীর্য বেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন ।
উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন
১২. এটা করলে আপনার পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন আশাতীত ভাবে বাড়বে ।
১৩. একটু কষ্ট করে হলেও এক্সারসাইজ চালু রাখুন । বাদ দেবেন না ।
জেল্কিংঃ
১.প্রথমে পেনিস কে পানিতে ধুয়ে নিন এবং মুছে ফেলুন ।
২.এরপর খানিকটা ক্রিম বা জেল জাতীয় পিচ্ছিল জিনিস, (তেল জাতীয় জিনিস হলেও হবে) যোগাড় করুন ।
৩. এটি পেনিসে ভালভাবে মাখান (শিথিল অবস্থায়)
৪. এবার বুড়ো আঙ্গুল এবং তর্জনীর সাহায্যে “ok” সাইন এর মত করুন
৫.এবার এই “”ok” সাইন দিয়ে পেনিসের গোড়া ধরুন( একটু জোরে চেপে ধরতে হবে)
৬. এবার আস্তে আস্তে ভেতর থেকে বাইরের দিকে মর্দন করুন
৭. জিনিসটা অনেকটাই হস্তমৈথুনের মতই। কিন্তু খেয়াল রাখবেন এটা শুধু পেনিসের গোঁড়া থেকে অগ্রভাগের দিকে । উল্টাদিকে করবেন না ।
৮.এভাবে ৩০-৪০ বার করুন । দিনে দুইবার ।
৯. এটি করার সময় আপনি নিজেই টের পাবেন যে আপনার লিঙ্গমুণ্ডে রক্তের চাপ বাড়ছে ।
১০.মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে
১১.ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন
১২. এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতেপারে ।
ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন না
১৩. এটা করার সময় যদি হস্তমৈথুন করেন তাহলে ব্যায়াম করা আর নাকরা সমান কথা ।
১৪.. যদি ৩০-৪০ বারের আগেই বীর্যবেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন । উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন
১৫. এটি করার সময় লিঙ্গমুণ্ডে সামান্য সাময়িক ব্যাথা বোধ হতে পারে । এছাড়া আপনি দেখবেন লিঙ্গমুণ্ডকে লাল হয়ে ফুলে উঠতে ।
রক্তের চাপের কারনে এমন হয়
স্ট্রেচিংঃ
১. প্রথমে লিঙ্গমুণ্ড পাঁচ আঙ্গুলে সামনে থেকে চেপে ধরুন
২. এবার এটাকে সামনের দিকে টেনে ধরুন
৩. এমনভাবে ধরে রাখুন যাতে পিছলে না যায়
৪. এভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে রাখুন
৫. ২০ সেকেন্ড পর ছেড়ে দিন
৬. এভাবে একটানা ২০ বার করুন (দিনে ২বার)
৭.মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে
৮.ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন
৯.তারপর আবার করুন
১০.এর ফলে ধীরে ধীরে আপনার পুরুষাঙ্গ দীর্ঘতায় বাড়বে যে তিনটি ব্যায়ামের কথা বলা হয়েছে সেগুলো একত্রে প্রতিদিন দুইবার করে করুন । একসাথে না করলে লাভের সম্ভাবনা কম । এক্সারসাইজের সময় হস্তমৈথুন করবেন না প্লিজ । হস্তমৈথুন করলে ব্যায়াম করার কোন দরকার ই নাই । কারন তাতে কোন লাভ হবেনা ।
***********
আপনার পুরুষাঙ্গের সক্রিয়তা কেমন ? বিজ্ঞানীদের নতুন বিষ্ময়কর তথ্য!
ব্রিটিশ জার্নাল অব ইউরোলজিতে সম্প্রতি একরিসার্চের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যা রীতিমতো চমকপ্রদ এবং মানব ইতিহাসে বিজ্ঞান ও চিকিৎসা শাস্ত্রে নতুনএক তথ্য সন্নিবেশিত হবে সন্দেহ নেই। ব্রিটিশ জার্নাল অব ইউরোলজিতে এম আই নরমাল…. শিরোনামে বিস্তর গবেষণা ধর্মী এক রিসার্চ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মানুষ মাত্রই বিশেষ করে পুরুষেরা নিজেদেরগোপনাঙ্গে আকার নিয়ে দ্বিধা দ্বন্ধ, মানসিক এক ধরনের উত্তেজনা, অসুস্থ্যতা কিংবা চিন্তায় আচ্ছন্ন বা ভুগে থাকেন। যাদের পুরুষাঙ্গের আকার লম্বা তারা মনে করে থাকেন, তাদের যৌন মিলনে সঙ্গিনী বা স্ত্রীকে পূর্ণসুখভোগ দিয়ে থাকেন বা সক্ষম।
পক্ষান্তরে এমনও পুরুষ আছেন যারা অসুস্থতায় বা দুঃচিন্তায় ভোগেন পুরুষাঙ্গের সাইজ ছোট হওয়ার কারণে তারা তাদের স্ত্রী, পার্টনারকে পূর্ণ সুখ যৌন মিলনের সময় হয়তো দিতে সক্ষম নন- এই দুই ধরনের মানসিক বৈকল্য বা এক ধরনের সাইকোলজিক্যাল এফেক্ট মানবদেহ ও মনে ক্রিয়া করে থাকে।
বিজ্ঞানী বা গবেষকেরা কিন্তু এই দুই অবস্থার সম্পূর্ণবিপরীত এক চিত্র বা ফলাফল পেয়েছেন। সম্প্রতি ইউকের একদল গবেষক এবং কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির লিড গবেষক জেমস শেরলকসহ তারা বিশাল এক মানবগোষ্ঠীর উপর গবেষণা চালিয়েছেন। তাদের গবেষণায় তারা পুরুষের পুরুষাঙ্গের আকার ছোট কিংবা লম্বা ও বড় পুরুষাঙ্গ তার সঙ্গিনীর যৌন মিলনে কতটুকু প্রভাব ফেলতে পারে তা গভীর পর্যবেক্ষণ-বিশ্লেষণ করেছেন। ১৫,০০০ পুরুষের পেনির সাইজ তারা যেমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন একই সাথে ৫০,০০০ উভয় লিঙ্গের মানুষের উপর গবেষণা, তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহকরেছেন, বিশ্লেষণ করেছেন।
গবেষণাকালে ১৫,০০০ বিভিন্ন গ্রুপ, ধর্ম, গোত্র ও এথনিক মাইনোরিটির পুরুষেরসাইজ তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণকরেছেন। তাদের এই এথনিক গ্রুপের মধ্যে ছিলো অধিকাংশইউরোপীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের পুরুষ। আফ্রিকা ও এশিয়ার বৃহৎ গ্রুপ এর বাইরে রয়ে গেছেন, যার ফলে আরো অধিক বৃহৎ আকারে গবেষণা হয়তো শেষ পর্যন্ত আরো করা লাগতে পারে- এমন কথাও তারা বলেছেন। এই ১৫,০০০ পুরুষের মধ্যে গবেষকদল এভারেজ পেনির সাইজ মুসলমানিসহ ও ছাড়া ১৩.১২ সেন্টিমিটার থেকে ১১.৬৬ সেন্টিমিটার পেয়েছেন। এই গ্রুপের মধ্যে অধিকাংশের সার্জারির পরেও এই এভারেজের সাইজের নীচে পড়েনি।
এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের রিসার্চাররাবলছেন, এই পুরুষাঙ্গ যখন স্ত্রীর লিঙ্গের যোনীর মধ্যে ঢুকে স্পার্ম ডেলিভারি করে থাকেন- সকল পুরুষের ও স্ত্রীর ক্ষেত্রে একই অবস্থান ও নিয়ম থাকা সত্যেও কেন পুরুষেরা তখনো যোনীর ভিতরে ঢুকানোর পরেও তারা তাদের পেনির সাইজ ছোট কিংবা বড় আকারের সাইকোলিজিক্যাল ডিসওর্ডারে ভোগেন।
তারা বলছেন, মানুষের স্বভাবজাত গুণ হলো, তারা মনে করে পেনির সাইজ বড় বা লম্বা হলেই বোধ হয় যৌন সুখী হওয়া যায় বা স্ত্রী কিংবা পার্টনার বেশী সুখ লাভ করে থাকে। আর এ চিন্তা চেতনা থেকেই যাদের সাইজ ছোট তারা এক ধরনের হীনমন্যতায় ভোগেন। আসলে কী তাই?
তারা বলছেন, বিশাল গরিলার পেনির সাইজ মাত্র ১.৫ ইঞ্চি। অথচ তার সুখানুভূতির বা স্ত্রী গরিলার অর্গানিজমে কোন সমস্যা হয়না।মানুষের মাথায় সব চেয়ে দ্রুত এবং সহজেই খেলে চলে পেনির সাইজ লম্বা হলেই নারীর অর্গানিজম সহজেই হবে। গবেষণা কী বলছে? তারা বলছেন, কম্পিউটারে ফিমেল রেইট থ্রি-ডি কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজসহ গবেষণার ফলে তারা দেখতে পেয়েছেন, পেনির সাইজ আকারে কিংবা লম্বায় ছোট কিংবা বড় যৌন মিলনের সুখের ক্ষেত্রে কোন বাধা নয়।
অধিকাংশ নারী জানিয়েছেন, পেনির সাইজ নিয়ে তারা মোটেই চিন্তিত নন। তারা তাদের সঙ্গীর বর্তমান সাইজ নিয়ে খুশী। প্রশ্ন উঠতেই পারে বড় আকারের পেনি ভালো বাউত্তম কিনা। আদতে রিসার্চে সেরকম কোন ফল আসেনি।
গবেষকরা পেয়েছেন, যৌন মিলনের সময় নারীর অংশগ্রহণ এবং উৎসাহ উদ্দীপনা ও সহযোগিতাই আসল। নারী কিভাবে বিছানায় খেলেন, তার উপরই তার অর্গানিজম নির্ভর করে। দেখা গেছে, ছোট সাইজের পেনি দিয়ে যৌন মিলনের মাধ্যমে নারীরপূর্ণ অর্গানিজম হয়েছে। তবে লম্বা পেনির জন্য প্রয়োজন ডিপার ভেজিনা বা গভীরতা, যাতে পুরোপুরি ঢুকানো যায়।
৫০,০০০ উভয় লিঙ্গের মানুষের মধ্যে ৮৫% বলেছেন তারা তাদের সঙ্গীর পেনির সাইজ ও রিলেশন ও ইন্টারকোর্স নিয়ে খুবই তৃপ্ত। এর মধ্যে ৫৫% পুরুষ তাদের পেনির সাইজ ছোট নিয়ে সুস্পষ্ট মতামত দিয়েছেন।
স্টাডিতে তারা দেখেছেন, নারীর অর্গানিজমের ব্যাপারে পেনির সাইজ খুব একটা সম্পর্কিত নয়। তবে একই স্টাডির অন্য অংশে বলা হয়েছে ভ্যাজিনার ভিতরের টিস্যুর অংশ যা পেনির সাথে ঘর্ষিত হয়, তার সাথে অর্গানিজমের রিলেশন আছে-যদি তাই হয় তাতে লম্বা পেনির ভুমিকা রয়েছে বলে তারামনে করছেন, তারপরেও তারা ফাইনাল কনক্লোশানে উপনীত হননি। বলেছেন যদি তাই হয় এবং সাজেস্ট করেছেন এশিয়া ও আফ্রিকান পুরুষের পেনি ও নারীদের ভ্যাজিনার মধ্যকার সম্পর্কিত স্টাডি আরো বড় আকারে করার।
তবে সব চাইতেবড় যে তথ্য তারা দিয়েছেন তা হলো পেনির সাইজ কিংবা ভ্যাজিনার গভীরতা যাই হউক, আসল বিষয় হলো কনফিডেন্ট ডেভেলপ বা বিল্ড করার মধ্যে সাইকোলিজিক্যাল বড় রকমের এক রহস্য নিহিত- নারী পুরুষের পূর্ণ সেটিসফেকশনের জন্য।
তাদের গবেষণার শেষ অংশে তারা উল্লেখ করেছেন, মাত্র ৩% লোকের মধ্যে পেনির সাইজ তারা নর্মাল বা এভারেজ সাইজ থেকে কম সাইজের পেয়েছেন, অর্থাৎ সর্বশেষতথ্যমতে ৯.৫ সেন্টিমিটার থেকে ১০ সেন্টিমিটার লম্বাসাইজ তারা পেয়েছেন এবং এই সাইজকেই তারা ধরেছেন পুরুষের স্বাভাবিক পেনির সাইজ থেকে ছোট সাইজের পেনি যা অস্বাভাবিক ধরনের, যদিও এই সাইজের পেনির দ্বারাও পূর্ণ সম্ভোগ সুখের ও নারীর অর্গানিজমের প্রমাণ স্বাভাবিক পেয়েছেন, তাতে মনে হয়না ছোট আকারের খুব একটা ব্যবধান আছে।
তারা এই পর্যায়ে এসে বলেছেন, এই ছোট সাইজহওয়ার কারণে এটা কেবল তাদের মনস্তাত্ত্বিক এক চিন্তায় ভোগেন আর কিছু নয়। এতে নারীর অর্গানিজমের কোন ব্যাঘাত ঘটেনি। এর পরেও যদি নিজেকে অপরাধী ফিল করেন তাহলে তারা যেন যেন বৃহৎ আকারের গরিলার দিকে তাকান, যারঅসম্ভব এক ছোট সাইজের পেনিস রয়েছে ।
**************
নারীর যা দেখে বেশি আকৃষ্ট হয় ____
নারীদেরকে দেবীর সঙ্গে তুলনা করা হয়, পুরুষ যেন সেই দেবীরগুণমুগ্ধ একজন পূজারী। নারীর শারীরিক সৌন্দর্য ছাড়াও চেহারা, চুল, কথা কিংবা হাসি যাই বলা হোক না কেন,পুরুষ যেন এসবের গুণমুগ্ধ গুণবিচারী। তবে নারীর সব সৌন্দর্য উপকরণের মধ্যে যে দিকটি পুরুষের মনে জায়গাকরে নেয় সহজেই এবং বলা হয়ে থাকে, পুরুষ সৌন্দর্যেরপূজারী এবং নারী হলো সৌন্দর্যের আধার। রূপক অর্থে নারীকে তাই কখনো যা সেই মনে বসবাসও করে দীর্ঘদিন, তাহলো নারীর দাঁত। ম্যাচ ডটকম নামে একটি অনলাইন পত্রিকা তাদের জরিপে এমন তথ্যই প্রকাশ করেছে।হলিউড কিংবা আর যাই হোক না কেন, সেলিব্রিটি হয়ে কোনো লাল কার্পেটে হাঁটার জন্য যে জিনিসটি সবচেয়ে জরুরি তা হলো, একটিচোখ ধাঁধানো সাদা হাসি। তবে পছন্দের কোনো পুরুষকে নির্বাচন করার ক্ষেত্রেও মুক্তোর মতো দাঁত অনেক বড় ভূমিকা রাখে। জরিপ শেষে ম্যাচ ডটকম অভিমত দেয়, ‘দাঁত হলো প্রথম জিনিস, কোনো নারীর ক্ষেত্রে পুরুষ যেদিকে প্রথম দৃষ্টি রাখে।’ কোনো পুরুষ তার সঙ্গী নির্বাচনে নারীর কোন্ দিকগুলোর প্রতি মনোযোগ দেয়, তার ওপর ভিত্তি করেই ম্যাচ ডটকম তাদের সর্বশেষ জরিপটি চালায়। আর এই জরিপে ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে নারীর দাঁতই এখন প্রধান আকর্ষক হয়ে অবস্থান করছে সবার ওপরে। একাধারে তিন বছরধরে চালানো এ জরিপ অনুযায়ী নারীর সৌন্দর্যের ১০টি দিকের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এই তালিকার অর্ধেক জুড়েই নারীর বাহ্যিক সৌন্দর্য উপকরণ স্থান করে নিয়েছে। তালিকায় এসব উপকরণের মধ্যে দাঁতের পরেই রয়েছে নারীর চুল; যা ভোট পেয়েছে প্রায় ৫১ শতাংশ।
ওরাল-বি স্মাইলের পরিচালক ডাক্তার অচেন্না এই দিকটির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ‘প্রতিদিনের দাঁতের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন, তারা (দাঁত) আপনাকে এর প্রতিদান দেবে, বাড়িয়ে দেবে আত্মবিশ্বাস, তাই আপনার জমকালো হাসির জন্য আপনি হবেন গর্বিত।’
তিনি আরো বলেন, ‘হাসি নিয়ে লোকজন আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন। আর আমার কাছে যে সব মক্কেল আসে তাদের বেশিরভাগেরই চাওয়া হলো একটি প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর সাদা হাসি।’
এক সমীক্ষায় ওরাল-বি দেখেছে, তাদের কাছে যেসব মক্কেল আসে তাদের মধ্যে প্রতি তিনজনের অন্তত একজন প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করে না। তবে তারা দাবি করেন, যেকোনো সময় থেকেই দাঁতের পরিচর্যা শুরু করা যেতে পারে। তারা শ্যারিল কোল এবং লুইস ওয়ালসের মতো অনেক তারকার নামও টেনে আনেন;যারা সেলিব্রিটি হওয়ার পরই দাঁতের দিকে মনোযোগী হয়েছেন। তাই শুধু বিপরীত লিঙ্গের আকর্ষণের জন্যই নয়, প্রতিদিন দুই বেলা দাঁতের সুরক্ষা নিঃসন্দেহে বাড়িয়ে দেয় মানুষের আত্মবিশ্বাস।
শরীরে হস্তমৈথুনের কোনও ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ে কি না, তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে। এখানে সেই বিতর্কে না-ঢুকে, এটা বরং মেনে নেওয়া ভালো, অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভালো না। হ্যাঁ, ঘনঘন হস্তমৈথুন দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে তা যে লিঙ্গকে শিথিল করে দেয়, ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। এখানে সমস্যা নয়, বরং লিঙ্গ শিথিলতার সুরাহা নিয়েই আমরা আলোচনা করব।
তার আগে লিঙ্গ শিথিলতার সম্ভাব্য কারণগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে ছুঁয়ে যাওয়া যাক। হ্যাঁ, ঘনঘন হস্তমৈথুন শিথিলতার একটা কারণ হলেও, একমাত্র কারণ বলা যাবে না। পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি, লিঙ্গের রক্তসঞ্চালন পথে বাধা, দীর্ঘদিন ধরে থাকা হাইপ্রেসার, শরীরে মেদ বৃদ্ধি, এমনকী শারীরিক কোনও আঘাত থেকেও পুরুষাঙ্গ শিথিল হতে পারে। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও লিঙ্গ শিথিল হয়ে, সঙ্কুচিত হতে পারে।
ঘরোয়া উপায়ে মুশকিল আসান -
১ ।। না, শিথিল লিঙ্গের দৃঢতা আনতে বিজ্ঞাপনী তেলের দরকার নেই। ঘরের সরষের তেলই কাফি। একটি পাত্রে সরষের তেল গরম করে, তার মধ্যে বেশি করে কালো জিরে দিন। মিনিট দশেক সময় ধরে তেল ফুটিয়ে, তা ঠান্ডা করে শিশিতে তুলে রেখে দিন। সারাদিনে অন্তত বার তিন-চারেক মালিশ করতে হবে। একটানা অন্তত মাস দুই ধৈর্য ধরে মালিশ করে যান। তাতে লিঙ্গের দৃঢ়তা ফিরে আসবে। মনে রাখবেন, এই দু-মাস শারীরিক মিলন বা হস্তমৈথুন ভুলেও করবেন না। তাতে আপনার উদ্দেশ্য বিফলে যাবে।
এখন প্রশ্ন কীভাবে এই তেল মালিশ করবেন। যেমন-তেমন করে মালিশ করলে, হবে না। উলটে ফল খারাপ হতে পারে। বাঁ-হাতের দু-আঙুলে, লিঙ্গের গোড়া ধরে, ডান হাতে আলতো চাপ দিয়ে তেল মালিশ করুন। লিঙ্গের গোড়া থেকে আগায় আসুন। উলটো দিকে অর্থাত্ আগা থেকে গোড়ায়, অর্থাত্ পিছনের দিকে টেনে মালিশ করবেন না। এ ভাবে মিনিট দশেক মালিশ করুন। আরও বেশি সময় ধরেও মালিস করতে পারেন। মালিশের সময় বীর্য বেরিয়ে আসার উপক্রম হলে, তত্ক্ষণাত্ থেমে যান। কিছুক্ষণ পর একই ভাবে আবার মালিশ করুন। এই মালিশের সময় মাঝেমাঝে পাঁচ আঙুলে লিঙ্গের মাথা জোরে কয়েক সেকেন্ডের জন্য চেপে ধরে, ছেড়ে দিন। এতে লিঙ্গের মুখে রক্তের সঞ্চালন বাড়বে। দৃঢ় হবে।
২ ।। একই সঙ্গে কাঁচা রসুন খান নিয়মিত। রসুনের তিন-চারটে কোয়া একসঙ্গে খেয়ে ফেলুন। রসুন টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে সহায়ক। ফলে, টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি থেকে শিথিলতা দেখা দিলে, তা থেকে মুক্তি মিলবে। কাঁচা রুসুন খেতে অসুবিধা হলে, রসুন ঘিয়ে ভেজে রেখে, সময়মতো অল্প মাখন মাখিয়েও খেতে পারেন। তাতে আরও ভালো কাজ দেয়।
৩ ।। দিন পনেরোর জন্য এক চিমটে কর্পূর পান দিয়ে খান। পানে চুন-সুপুরি কিছু দেবেন না। যাঁরা একটা সময় অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে এসেছেন, তাঁদের যৌনক্ষমতা ফেরাতে এটি ভালো কাজ দেবে।
৪ ।। খেতে পারেন অশ্বগন্ধাও। পুরুষের যৌনক্ষমতা বাড়তে অশ্বগন্ধা ভালো কাজ দেয়।
৫ ।। এসবেরই পাশাপাশি রোজ অন্তত আধঘণ্টা করে ব্যায়াম করতে হবে।
৬ ।। রাত জাগার অভ্যেস ত্যাগ করে, অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুমোন।
দেখবেন ধীরে ধীরে শিথিল লিঙ্গ ফের চাঙ্গা হয়ে উঠছে।
Comments